ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 July 2018, ২১ আষাঢ় ১৪২৫, ২০ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাঁশখালী পৌরশহরের প্রধান সড়ক সিএনজি ও অটোরিকশার দখলে

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম বাঁশখালী পৌরসভার প্রধান সড়ক দখল করে রেখেছে অনুমোদনহীন সিএনজি ও বেটারী চালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ড। নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার্থে পৌর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন সড়ক সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ কাজ কিছুদিন ধরে চললেও বিভিন্ন ধরনের যানবাহনগুলো সড়ক দখল করে ‘অটো এবং সিএনজি স্ট্যান্ড’ বানিয়ে ফেলছে। ফলে পৌর নাগরিকরা তার সুফল পাচ্ছে না। বিশেষ করে মিয়ার বাজারের চার রাস্তার মোড়, জলদী উপজেলা হাসপাতাল গেইট, বাঁশখালী আদালতের সামনে, থানার পার্শ্বে আস্কারিয়া রোডের মোড় এবং উপজেলা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক দখল করে অটো এবং সিএনজি স্ট্যান্ড বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এরফলে এই সড়কপথে যখন বড় বড় যানবাহন চলাচল করে তখন জনসাধারণের পায়ে হেঁটে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। একটি বড় গাড়ি যাত্রী নামালে ১ মিনিটের মাথায় প্রায় ৩০/৫০টি গাড়ি পেছনে লাইন হয়ে জ্যামে আটকা পড়ে। এতে সাধারণ জনগনের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
এছাড়া যানবাহন আটকে থেকে মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি হয়। এরফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসা শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়। তারা যানজটের কারণে যথাসময়ে স্কুল, কলেজে পৌঁছাতে পারে না। বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কেই সিএনজির স্ট্যান্ড। ফলে যাত্রীদের উঠানামার সময় হৈ-হুল্লোড় হওয়াতে বিদ্যালয়ে পাঠদানেরও সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সড়ক দখল করে রাখা অটো এবং সিএনজিচালিত অটো রিকশাগুলো সড়ক থেকে সরানোর জন্য বিভিন্ন সময়ে পদক্ষেপ নেয়া হলেও এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সিএনজি ও অটোরিকশা মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একজন লাইন্সম্যান দেওয়া হলেও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে না বলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনগণের অভিযোগ। সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দু ছবুর জানান, আমাদেরকে পৌরসভার পক্ষ থেকে গাড়ি পার্কিং এর কোন নির্দিষ্ট জায়গা দেওয়া হয়নি। পৌর কর্তৃপক্ষ যেখানে জায়গা দেবে আমরা সেখানে গাড়ি পার্কিং করে যাব।
এ ব্যাপারে বাঁশখালীর পৌর মেয়র শেখ সেলিমুল হক চৌধুরী বলেন, আগামী ১ মাসের মধ্যে প্রধান সড়কে অবস্থানকারী সিএনজি ষ্টেশনগুলো অন্যত্রে সরিয়ে নেওয়া হবে। এব্যাপারে আমি চট্টগ্রাম ডিসি মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ