ঢাকা, শুক্রবার 6 July 2018, ২২ আষাঢ় ১৪২৫, ২১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ছড়া

ইঁদুরনামা

শাহীন রায়হান

 

ঢং ঢং ঢং ঘন্টা বাজে

সকাল দুপুর সাঁঝে

ইঁদুরগুলো দোর খোলে না

শুধুই মরে লাজে।

 

একটা ইঁদুর ঢোল বাজায়

আর একটা ইঁদুর গায়

একটা ইঁদুর লাজুক বেশী

ঘোমটা দিয়ে খায়।

 

একটা ইঁদুর জামা পরে

একটা ইঁদুর নাচে

একটা ইঁদুর হেড মাস্টার

ছাত্র পড়ায় পাছে।

 

একটা ইঁদুর ছিটকিনি দেয়

একটা ইঁদুর খোলে

একটা ইঁদুর আমায় নিয়ে 

হরেক প্রশ্ন তোলে।

 

ঘরটা তাদের আমি কেন 

তাদের ঘরে থাকি

যদিও থাকি তবু কেন

ঘর ভাড়াটা বাকি।

 

দরজাতে যেই শব্দ করি 

বলে একটু পরে

তুমি কেন আসছ বাপু 

আবার মোদের ঘরে।

 

থাকতে হলে ভাড়াটা দাও

নইলে কেটে পড়ো

সকল ইঁদুর ছোট ছোট

একটা ইঁদুর বড়।

 

মুখটা তুলে যেই বললাম

ভাড়া দিব কাকে

ইঁদুরগুলো লুকিয়ে গেল

অন্য ঘরের ফাঁকে।

 

 

বর্ষা এলো

রুহুল আমিন রাকিব

 

বর্ষা এলো ভরলো নদী

লাগছে কী যে ভালো!

নদীর পানি,মন কেড়ে নেয়

পড়ে জোছনা আলো।

 

টাপুর-টুপুর শব্দ করে

টিনের চালে পড়ে,

সবুজ ক্ষেতে,গাছের শাখে

আপন মনে ঝরে।

 

ইচ্ছে হলে,এ-দেশ থেকে

আরেক দেশে চলে,

শাসন বারণ মানে-না সে

যায় ভিজিয়ে জলে।

 

 

মায়ের ভালোবাসা 

পলক রায়

 

লেখাপড়া করতে গিয়ে

  দূরে মাগো থাকি

ভাল্লাগে না যখন মাগো

  তোমার ছবি আঁকি ।

 

ফোনে যখন আসে মাগো

  তোমার মধু মাখা কল

খুবই ভালো লাগে তখন

  পাই যে দেহে বল।

 

পড়া শেষে যখন মাগো

  চোখে আসে ঘুম

স্বপ্নে এসে তুমি মাগো

 দিয়ে যাও এক চুম। 

 

 

আযানের সুর

রমজান আলী রনি

 

দূরে যখন ধ্বনি হয়ে

আযান ভেসে আসে

সপ্তাকাশে মনের জোয়ার

হাওয়ায়-হাওয়ায় ভাসে।

 

মিষ্টি সুরে খোদার আশায়

ছুটে চলি তখন

আযানের সুর কানে এসে

উঁকি মারে যখন।

 

মনের ভিতর ছটফট করে

সাগর যেমন দুলে

নামাজ পড়ে রবের নিকট

বলবো দুহাত তুলে।

 

 

সোনার দেশ

সাগর আহামেদ 

 

গ্রাম বাংলাতে জন্ম আমার

বাংলায় কথা বলি।

শ্যামল ছায়া গ্রামের মায়া

কেমন করে ভুলি।

 

সোনালি ভোর পাখিদের গান

বাংলার কোল জুড়ে

ছুটে রাখাল নিয়ে গরুপাল

পাগলা বাঁশির সুরে।

 

সাঁঝের বেলা চাষির মেলা

ফিরে আপন নীড়ে

কামার কুমার মাঝি মাল্লা

সোনার এ দেশ ঘিরে।

 

ভাইটাল গান সোনালি ধান

পালের নৌকা ছুটে

পুকুর জলে খালে বিলে

পদ্ম শাপলা ফুটে।

 

 

বাঘ বেচারা

মোঃ জাহের আলী

 

শেয়াল পন্ডিত চালাক অতি

                  থাকে বাঘের সাথে 

সুযোগ পেলেই ভাগ বসাবে

                    মামার ভরা পাতে।

হরিণ ছানার ছুটোছুটির

                   এনে দেবে খোঁজ

মামার সাথেই সেরে নেবে

               নিজের ভূঁড়ি ভোজ।

আধা খাবার হওয়ার আগেই

                 জোরে দেবে ডাক

বলবে মামা ঐ তা দূরে

                 হরিণ ছানার ঝাঁক।

খাবার ফেলে বাঘমামাটা

                    যখন চলে যাবে

মহানন্দে ভাগ্নেগুলো

                    মজা করে খাবে।

 

খেলার নাম ফুটবল

পলাশ কুন্ডু

 

বলের পিছে ছুটোছুটি

খেলার নাম ফুটবল

হাত দিয়ে যাবে না ছোঁয়া

পায়ের কিকে ঘোরে বল।

 

খেলোয়াড়রা বল ছুঁড়ছে

গোলবারের দিকে

গোলরক্ষক দেয় পাহারা

বল ধরছে রুখে।

 

অনিয়মে আছে শাস্তি

ফ্রি-কিক আর পেনাল্টি

নব্বই মিনিট চলবে খেলা

বিরাম নেই সবুজ মাঠটি।

 

মানতে হবে খেলার নিয়ম

খেলায় করা যাবে না ভুল

রেফারী আছে সজাগ-

হলুদ লাল কার্ডের রুল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ