ঢাকা, শুক্রবার 6 July 2018, ২২ আষাঢ় ১৪২৫, ২১ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অবসরপ্রাপ্ত নৈশ প্রহরীর অভিযোগ কি সত্য?

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি বীরনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী নিয়োগ  বাণিজ্যের  অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের দীর্ঘ দিনের নৈশ প্রহরী পদে চাকুরী শেষে সদ্য অবসরে যাওয়া বীরনগর গ্রামের জায়বর আলী প্রামানিক। জায়বর আলী তার লিখিত অভিযোগে বলেন, তার চাকুরীর শেষ প্রান্তে এসে অবসরের পর নৈশ প্রহরী পদে পুত্র মানিককে নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করেন। সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে ৬ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা চুক্তিতে মানিককে নিয়োগ দিতে সম্মত হন। সেই মোতাবেক জায়বর বিভিন্ন এনজিও থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ঋণ তোলেন এবং অগ্রীম ২ লক্ষ টাকা প্রধান শিক্ষককের হাতে তুলে দেন। মানিককে সনদ দেওয়ার কথা বলে প্রধান শিক্ষক আরো ২ হাজার টাকা  নেন। 

এর মধ্যে চাকুরী  নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে প্রধান শিক্ষকের সাথে অপর এক প্রার্থীর  ৯ লক্ষ টাকা ও সভাপতির সাথে আরেক জন প্রার্থীর ১২ লক্ষ টাকা চুক্তি হয়। এর পর মানিকের সনদে জন্ম তারিখ ভুল দেখিয়ে তার দরখাস্তটি বাতিল করেছেন পরিচালনা কমিটি। দরখাস্তটি বাতিলের পর জায়বর  দুই লক্ষ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য  প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির অনিয়মের  প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন জায়বর আলী। 

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে  তিনি বলেন চাকুরী দেওয়ার কথাবলে আমি কারো নিকট থেকে অগ্রীম টাকা নেওয়া বা চুক্তি কোনটিই করিনি।  

বিদ্যালয়ের সভাপতি মহির উদ্দিন মন্ডলের সঙ্গে ফোনে কথা বললে তিনি জানান চাকুরী দেওয়ার নাম করে আমি কার নিকট থেকে টাকা গ্রহণ করিনি। এটা  তারা অপপ্রচার ছড়াচ্ছে  ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ