ঢাকা, শনিবার 7 July 2018, ২৩ আষাঢ় ১৪২৫, ২২ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে খালেদা জিয়ার কারাজীবন দীর্ঘায়িত করছে সরকার -খন্দকার মাহবুব হোসেন

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন ও চিকিৎসা নিয়ে সরকারি অপকৌশল বন্ধের দাবিতে গতকাল শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নাগরিক অধিকার আন্দোলন আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় ঐক্য ছাড়া বিএনপির একার পক্ষে দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে খালেদা জিয়ার জামিন ও চিকিৎসা নিয়ে সরকারের অপকৌশল বন্ধের’ দাবিতে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের প্রতিবাদ সভায় এ কথা বলেন তিনি। গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ভিপি ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আতাউর রহমান ঢালী, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল, সাইদুর রহমান তামান্না, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, শাহজাহান মিয়া সম্রাট, ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ। খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জাতীয় ঐক্য দরকার। বাংলাদেশের জাতীয় নেতারা আছে। আমি আশা করি তারা বিএনপির আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতীয় ঐক্যের পথে আসবেন।’
মানুষের ভোটের অধিকার আদায় ও দেশে গণতন্ত্র কায়েমের জন্য শুধু জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি নয়, এর মাধ্যমে রাজপথ উত্তপ্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন এই আইনজীবী নেতা। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য হলে সরকারের আর টেকার পথ থাকবে না।
আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারাজীবন সরকার দীর্ঘায়িত করছে বলে অভিযোগ করেন খন্দকার মাহবুব। ‘বেগম খালেদ জিয়াকে শুধু কারাগারে রাখা হয়নি, তাকে মানসিক-শারীরিকভাবে নির্যাতন করার জন্য একটি পরিত্যক্ত কারাগারে রাখা হয়েছে।’ বলেন তিনি।
খালেদার যথাযথ চিকিৎসা করা হচ্ছে না অভিযোগ করে মাহবুব বলেন, ‘বারবার আমরা তার (খালেদা) চিকিৎসার দাবি জানিয়েছি, কিন্তু সরকার তাদের পছন্দমতো হাসপাতালে তার চিকিৎসা করাচ্ছেন। অথচ আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা তাদের ইচ্ছামতো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রক্রিয়ধীন ছয়টি মামলার মধ্যে তিনটি জামিনযোগ্য বলে দাবি করে এ আইনজীবী বলেন, ‘বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাকে জামিন দিতে বাধ্য, কিন্তু সেখানেও টালবাহানা করা হচ্ছে। জামিন না দিয়ে দীর্ঘদিন আটকে রেখে তার কারাজীবনকে দীর্ঘায়িত করছে সরকার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ