ঢাকা, শনিবার 7 July 2018, ২৩ আষাঢ় ১৪২৫, ২২ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আমতলীর খবর

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা : সম্প্রতি পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডে আয়সা আক্তার (১৫) নামে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা হরে। আয়সা হলদিয়া ইউনিয়নের কুলাইরচর গ্রামের গাজী মো: ইউসুফ এর মেয়ে এবং সাইথ বেঙ্গল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী। দীর্ঘ দিন ধরে সে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল বলে তার পরিবার সূত্রে জানা যায়। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আলাউদ্দিন মিলন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
সড়ক দুর্ঘটনায় কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত
আমতলী চৌরাস্তা এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বশির প্যাদা (৪৪) সম্প্রতি বরিশালের গেীরনদী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। বশির চাওরা ইউনিয়নের লোদা গ্রামের রশিদ প্যাদার ছেলে।
নিহত বশিরের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বশির একজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী এবং পিকআপ চালক। তার নিজের পিকআপ ভ্যান চালিয়ে শক্রবার রাত ১১টার দিকে কাঁচামাল আনার জন্য খুলনা যাচ্ছিল। রাত ৩ টার সময় গেীরনদী পৌছামাত্রা পিকআপের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি। খবর পেয়ে স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে আমতলী নিয়ে আসে।
স্বর্ণাংলকার লুটপাট
বরগুনার তালতলীতে আঙ্গারপাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে পতিপক্ষের বাড়িতে দিনে-দুপুরে নগদটাকা ও স্বর্ণাংলকার লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলার আঙ্গারপাড়া এলাকার হাবিব চৌকিদার’র নেত্বেতে কালা মুন্সি’র বাড়ির দরজা ভেঙ্গে বিছানার নিছে থাকা ২ লক্ষ টাকা, ১ ভরি স্বর্ণাংলকারসহ ঘড় বাড়ি ভাংচুর করে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রতিবেশীরা জানায়, শনিবার সকাল ১০টার সময় কালা মুন্সি বাড়িতে ২৫/৩০ জন ডাকাতদল দরজার তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। খালি বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণাংলকার লুটপাট করে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা।
গৃহবধূকে গণধর্ষণের শিকার
বরগুনার তালতলীতে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের করমজাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার করমজাপাড়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাক শুক্রবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে তালতলী বাজারে এলে বাড়ীতে তার স্ত্রী একা থাকে। স্থানীয় তিন বখাটে আ. ছালামের পুত্র বাশির, আ. রবের পুত্র কামাল ও আবুল কালামের পুত্র আবদুর রহিম মিলে রাজ্জাক বাড়ীতে না থাকার সুযোগ নিয়ে কৌশলে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক তার স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভুগীর ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এবং তার পরক্ষণেই স্বামী আ. রাজ্জাক বাড়ীতে চলে আসে। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে বখাটেরা দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
ভুক্তভুগীর স্বামী আ. রাজ্জাক বলেন, আমি বাড়ীতে নেই, সেই বিষয়টি জেনেই তিন বখাটে বাড়ীতে এসে আমার স্ত্রীকে নির্যাতন করে পালিয়ে যায়। এখন মামলা করতেও ভয় পাচ্ছি। কারণ তারা প্রভাবশালী। আমি ও আমার স্ত্রী এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ