ঢাকা, রোববার 8 July 2018, ২৪ আষাঢ় ১৪২৫, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আড়বাব জুনিয়র স্কুল প্রসঙ্গে

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)-এ শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতাদির সরকারি অংশ প্রদান এবং জনবল কাঠামো সম্পর্কিত নির্দেশিকা ২০১০ এর সংশোধিত পরিপত্রের ৩.১:(ক) বিদ্যালয় (নি¤œ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মচারীর জনবল কাঠামো (৬ষ্ঠ-৮ম) শ্রেণি পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকসহ সংখ্যা হবে ছয়জন। যেমন প্রধান শিক্ষক-১, সহকারী শিক্ষক (বাংলা/ইংরেজি/ সামাজি বিজ্ঞান)-১, সহকারী শিক্ষক (কৃষি/গার্হস্থ)-১, সহকারী শিক্ষক (ধর্ম)-১, সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা)-১। উল্লেখ্য যে, নাটোর জেলাধীন লালপুর উপজেলার আড়বাব জুনিয়র স্কুলের (বোর্ড কোড ২২৩৩, এমপিও জুনিয়র কোড ৮৪০৮৪০৪০৪১২০২) প্রধান শিক্ষক জনাব মো. খাইরুল ইসলাম (ইনডেক্স নম্বর ১০১৮৭৯৪) জনবল কাঠামো বহির্ভূত ৬ (ছয়) জন শিক্ষকের অধিক আরও সাতজন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তর থেকে অনুদান চালু করেন। দুর্নীতি করে তিনি অতিরিক্ত শিক্ষকদের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। একটি জুনিয়র স্কুলের জনবল কাঠামো অনুযায়ী বেশি শিক্ষকের নিয়োগের কোন বিধান নেই। মাননীয় শিক্ষা সচিব আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, উক্ত পরিপত্রের (ক)র, এতে উল্লেখ আছে যে, প্রতিটি নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একক শ্রেণীর/শাখার শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ (পঞ্চাশ), তবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ এর অধিক পরবর্তী ৪০ জনের জন্য দ্বিতীয় শাখা খোলা যাবে। প্রতি শাখার জন্য একজন হিসাবে গণনাপূর্বক শিক্ষক বৃদ্ধি পাবে। তবে কোন বিষয়ে একাধিক শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে না। উক্ত ব্যাখ্যা মোতাবেক স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসনকে ব্যবহার করে দ্বিতীয় শাখা খোলার নামে ভূয়া কাগজপত্র শিক্ষা অধিদপ্তরে দাখিল করে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি অনুদান চালু করেছেন। প্রকাশ থাকে যে, অবকাঠামোর দিক দিয়ে প্রতিষ্ঠিানটি বর্তমানে প্রতিটি একক শ্রেণিতে ৩০-৪০ জনের অধিক ছাত্রছাত্রীও নেই। এমতাবস্থায় ২০১০ সালে নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-অষ্টম) জনবল কাঠামো বহির্ভূত কিভাবে উক্ত সাত শিক্ষকের বেতন-ভাতাদি সরকারি অংশ চালু করা হলো, সে বিষয়ে আশু তদন্ত করে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি এবং সরকারি অর্থ অপচয় রোধে মাননীয় শিক্ষা সচিবের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
-মুহ: আবদুর রহমান, গ্রাম-গোপালপুর, উপজেলা-লালপুর, জেলা-নাটোর।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ