ঢাকা, রোববার 8 July 2018, ২৪ আষাঢ় ১৪২৫, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ভারী বর্ষণে ফটিকছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ॥ এলাকাবাসী শঙ্কিত

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়িতে বিভিন্ন খাল নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত কিছুদিন পূর্বে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই এমন পরিস্থিতে শংকিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
হালদা, ধুরুং, সর্তা, গজারিয়া, ফটিকছড়ি খাল, লেলাং খাল, মন্দাকিনী খাল সহ বিভিন্ন খাল নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে  দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন, ধর্মপুর ইউনিয়নের (কিছু অংশ), জাফতনগর ইউনিয়নেন (কিছু অংশ), সমিতিরহাট ইউনিয়ন, রোসাংগিরী ইউনিয়ন, নানুপুর- ইউনিয়নের (কিছু অংশ), সোয়াবিল ও লেলাং ইউনিয়ন বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
গোপালঘাটা এলাকার মোহাম্মদ আজগর আলী বলেন, কর্ণফুলী চা বাগান সড়ক, গহিরা হেয়াকো সড়কের শাহনগর এলাকায়, তালুকদার বাড়ি, করিম মিস্ত্রীর বাড়িসহ লেলাং ইউনিয়নের বিভিন্নস্থান পানিতে তলিয় যায়।
আব্দুল্লাহপুরের শাহাবুদ্দিন রকি বলেন, গত দুইদিনের ভারী বর্ষণে আব্দুল্লাহপুরের বিভিন্ন সড়ক ও এলাকা পানিতে ডুবে রয়েছে।
নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়কের নাজিরহাট কলেজ সংলগ্ন অংশ হালদায় সম্পুর্ণরুপে বিলীন হওয়ার পথে।
ফটিকছড়ি উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া হালদা নদী,  ধুরুং, গজারিয়া, ফটিকছড়ি, বারমাসিয়া, হারুয়ালছড়ি, মান্দাকিনী, সর্তা, লেলাং, হরিনা, তেরপারী খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় পুরানো ভাঙ্গন দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করার কারণে ফটিকছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্নস্থানে পাড় চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে আবারো ভয়াবহ বন্যার শংকা করছেন এলাকাবাসী।
লেলাং ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন শাহীন, সমিতিরহাট ইউপি চেয়ারম্যান হারুনোর রশিদ ইমন ও ধর্মপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল্লাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল আলম  প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে আবারো নিজ নিজ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানান। বিভিন্নস্থানে বন্যার পানি বেড়েই চলেছে বলেও তারা জানান।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় বলেন, ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কিছু এলাকা ইতোমধ্যে পরিদর্শন করেছি। এবং জনপ্রতিনিধিদের ও নিজ নিজ এলাকার খোঁজখবর রাখার জন্য বলা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ