ঢাকা, রোববার 8 July 2018, ২৪ আষাঢ় ১৪২৫, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আলীকদমে বিয়ের রাতে যুবকের মৃত্যু হত্যা না আত্মহত্যা!

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম (বান্দরবান): বান্দরবানের আলীকদমে বিয়ের রাতেই মারা যাওয়া যুবকের ঘটনায় এখনো মামলা এন্ট্রি হয়নি। তবে অভিযুক্তরা এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবী করছেন। এ নিয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলাও হয়। কিন্তু গত শুক্রবার নিহতের বড়ভাই মো. উছমান বাদী হয়ে ৮জনকে অভিযুক্ত করে হত্যার অভিযোগ এনে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। পুলিশ বলছে, ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। নিহতের পোস্টমর্টের রিপোর্ট সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জানা গেছে, গ্রাম্য মাতব্বরদের নেতৃত্বে বিয়ে পড়ানোর পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ২৭ জুন দিবাগত রাতে মারা যান উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের খোরশেদ আলমের ছেলে মো. আব্দু শুক্কুর (২৪)। নিহত যুবকের বড়ভাই মো. উছমানের দাবী, তাকে ২৬ জুন রাতে গ্রাম্য মাতব্বর স্থানীয় এক শিক্ষকের নেতৃত্বে আটক হয়েছিল সদর ইউনিয়নের দানু সর্দার পাড়ার মরিয়াম খাতুনের বাড়িতে। আটকের পর এ শিক্ষক নিজে মুঠোফোনে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারকে ফোন করেছিল। আব্দু শুক্কুরকে আটকের পর তার বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজের অভিযোগ আনে মাতব্বাররা। পরক্ষণে খবর পেয়ে নিহত যুবকের বড় ভাই উছমান তাকে ছেড়ে আনতে যান। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আবু ছালামও যুবক আব্দু শুক্কুরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন। কিন্তু জিয়াউল হকের নেতৃত্বে অন্যান্যরা তাকে ছেড়ে না দিয়ে পরেরদিন ২৭ জুন সকারে কাজী ডেকে মরিয়ম খাতুনের সাথে ২ লাখ কাবিনে বিয়ে পড়ানো হয়। দিনের বিয়ে পড়ানোর পর ২৭ জুন রাতের যে কোন সময় মারা যান যুবক আব্দু শুক্কুর।
তার এ মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যা দাবী করে গত ২৮ জুন আলীকদম থানায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করে এজাহার দায়ের করেছেন নিহের বড় ভাই মো. উছমান। এরপর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ