ঢাকা, সোমবার 9 July 2018, ২৫ আষাঢ় ১৪২৫, ২৪ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রস্তুত থাকার নির্দেশ নেতাকর্মীদের অচিরেই সরকার পতনের আন্দোলন -ড. মোশাররফ

গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আন্দোলন কখনও বলে কয়ে হয় না। আপনারা প্রস্তুত থাকেন, আন্দোলন হবে। অচিরেই সরকাপর পতনের আন্দোলন হবে। আর সে আন্দোলনে এই স্বৈরশাসকের পতন হবেই। তিনি বলনেন, ‘স্বৈরাচার সরকার এরশাদ নিজেও ভাবে নাই তার পতন হবে। কিন্তু সেও অবশেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলো। এ সরকারও সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে। শুধু সময়ের ব্যপার। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অবিলম্বে "মাদার অব ডেমোক্রেসি" বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশটির আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।
বিএনপির প্রবীণ এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য হলো আবারও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় থাকা। আর তার জন্যই আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বাইরে রাখতে অন্যায় ভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, কোনও প্রহসনের নির্বাচন আর এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না। এবং হতেও দেবে না। আগামী নিবার্চন সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক করতে বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে হবে। তাঁকে ছাড়া এ দেশে আর কোনও নির্বাচন হবে না। সরকার স্বৈরাচারি কায়দায় প্রধান বিচারপতিকে দেশছাড়া করেছে মন্তব্য করে মোশাররফ বলেন, ‘সরকার নিম্ন আদালতকে নিয়ন্ত্রণ করছে’ প্রধান বিচারপতি এ কথা বলার কারণে সরকার তাঁকে জোরপূবর্ক দেশ থেকে বিতড়িত করেছে।
 কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবি মেনে না নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। অথচ তিনি পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এটা হল স্বৈরাচারি সরকারের ধরন। এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।
নির্বাচন নিয়ে সরকার বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে মন্তব্য করে খন্দকার মোশাররফ আরও বলেন, আপনারা সরকারের সেই সমস্ত বাজে গুজবে কান দেবেন না। কারণ খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই আমরা আগামী নির্বাচনে যাবো। এদেশে সুষ্ঠু নিবাচন হবে এবং স্বৈরাচার সরকারের পতনও ঘটবে।
আয়োজক কমটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ জুলফাক এর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মো. ইব্রাহিম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ