ঢাকা, সোমবার 9 July 2018, ২৫ আষাঢ় ১৪২৫, ২৪ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনার গল্লামারী ব্রীজসহ দু’পাশের সড়ক ভাসমান ব্যবসায়ীদের দখলে

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর গল্লামারী ব্রীজসহ দু’পাশের বেশির ভাগ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে দখল করে ব্যবসা করছেন ভাসমান ব্যবসায়ী। ফলে ওই স্থানে সড়ক সরু হয়ে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ভারী যানবাহনসহ জনসাধারণের চলাচল। এ অবস্থায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা গেছে, নগরীতে অন্যতম প্রবেশদ্বার হলো গল্লামারী সড়ক সংলগ্ন ব্রীজ। খুলনা-সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, মংলা, কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, দেবহাটা রুটের সকল যাত্রী এ সড়ক ও ব্রীজ দিয়ে শহরে প্রবেশ ও বাইরে যায়। কিন্তু ব্রীজসহ দু’পাশের বেশির ভাগ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে দখল করে নানা ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করছেন ভাসমান ব্যবসায়ীরা। ফলে ওই স্থানে সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়ায় বিভিন্ন রুটে আসা যাত্রীবাহী অসংখ্য বাস, ট্রাক, মাহেন্দ্র, রিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যান চলাচলের ভীড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। 

অন্যদিকে গল্লামারী ও জিরোপয়েন্ট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকা গড়ে উঠায় শহর সম্প্রসারিত হচ্ছে। আর ওই সম্প্রসারিত অঞ্চলে বসবাসকারীদেরও প্রতিনিয়ত এ স্থানটি ব্যবহার করে শহরে প্রবেশ করতে হয়। ফলে সড়কটির ব্যস্ততা বহু গুণে বেড়ে যাওয়ায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সড়ক ও ব্রীজের উপর থেকে ভাসমান বাজার উচ্ছেদের দাবি উঠেছে। 

স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা বলেন, ভাসমান ব্যবসায়ীরা যেভাবে দিন দিন সড়ক ও ব্রীজ দখল করে ব্যবসা শুরু করেছেন তাতে গল্লামারী এলাকা গাড়ি চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে গাড়ি চলাচলের পথ। এছাড়া ময়লা-আবর্জনা সঠিকভাবে পরিষ্কার না হওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানে কোন ধরনের কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না।

খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাশ বলেন, বর্তমান জুন মাস চলছে। তাই সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ অবস্থায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা সম্ভব না। তবে দুই থেকে তিন মাস পর ভাসমান ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ