ঢাকা, মঙ্গলবার 10 July 2018, ২৬ আষাঢ় ১৪২৫, ২৫ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রবাসীদের কল্যাণে সংসদে বিল পাস

সংসদ রিপোর্টার : প্রবাসী ও তাদের ওপর নির্ভরশীলদের সুরক্ষা ও কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বিল-২০১৮’ পাস হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপনের পর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তবে সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
প্রস্তাবের বিপক্ষে যুক্তিতে মন্ত্রী বলেন, সিন্ডিকেট আছে তবে আমাদের দেশে না। আমরা সিন্ডিকেটে বিশ্বাস করি না।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী গত ৯ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি বিলের দফা ৭(১), ৮, ১৪ এবং ১৮ এর কয়েকটি জায়গায় সংশোধনী এনে বিলটি পাসের সুপারিশ করে গত ৯ মে প্রতিবেদন জমা দেয়।
সংসদে পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে বিলটি পাসের সঙ্গে সঙ্গে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠার করতে পারবে। বিলে এ বোর্ড পরিচালনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সভাপতি করে ১৬ সদস্যের পরিচালনা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
বিলে বোর্ডের কার্যাবলী, নারী অভিবাসী কর্মীদের কল্যাণে বিশেষ দায়িত্ব, পরিচালনা পরিষদের সভা, সভাপতির আপতকালীন বিশেষ ক্ষমতা, বোর্ডের মহাপরিচালক নিয়োগ, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, বোর্ডের তহবিল, হিসাব ও নিরীক্ষা, প্রতিবেদন প্রদান, বিধি ও প্রবিধি প্রণয়নের ক্ষমতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল বিধিমালা-২০০২ রহিত করারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া দুটি বিল উত্থাপন করা হয়। বিল দুটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। উত্থাপিত বিল দুটি হচ্ছে- ‘সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৮’  এবং ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড-২০১৮’ নামের বিল। মন্ত্রীদের অনুপস্থিতিতে বিল দুটি উত্থাপন করেন যথাক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমেত আরা সাদেক।
=

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ