ঢাকা, বুধবার 11 July 2018, ২৭ আষাঢ় ১৪২৫, ২৬ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জাতীয়করণের দাবিতে কঠিন আন্দোলনের হুমকি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়করণ বঞ্চিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তৃতীয় ধাপে বাদপড়া প্রায় ৪ হাজার ১৩৯টি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ঘোষণা না দিলে কঠিন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন  আন্দোলনরত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়করণ বঞ্চিত বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের নেতারা। দাবি আদায়ে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি সংগঠনের শিক্ষক কর্মচারীর সমন্বয়ে এই ঐক্য পরিষদ গড়ে তোলা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মহাসচিব আ. স. ম. জাফর ইকবাল, সংগঠনের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রব রতন, মহাসচিব মো. সাইদুল ইসলাম, সভাপতি মো. শাহাজাহান আলী সুজন ও বাংলাদেশ নব-জাতীয়করণকৃত শিক্ষক সমাতির মহাসচিব মো. মেহেদী হাসান ও সভাপতি কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
আ. স. ম. জাফর ইকবাল বলেন, ২০১৩ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশে আর কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়বে না। এমন কি যেসব বিদ্যালয় ২০১২ সালের ২৭ মে'র আগে স্থাপিত হয়েছে সেগুলোও জাতীয়করণের আওতাভুক্ত হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সে ঘোষণার পর প্রথম ধাপে ২২ হাজার ৯৯৫টি এবং দ্বিতীয় ধাপে ২ হাজার ২৫২টি স্কুল জাতীয়করণের আওতাভুক্ত হয়। তৃতীয় ধাপে ৯৬০টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য বাছাই করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে প্রায় ৪ হাজার ১৩৯টি জাতীয়করণের যোগ্যতা সম্পন্ন স্কুল তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাই সেগুলোও তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণের দাবি করে তিনি বলেন, নতুবা আমরা কঠিন কর্মসূচি পালনে বাধ্য হবো।
হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয়করণ নিয়ে সেই ঘোষণার বাস্তবায়ণ হউক। উনার কাছে আমাদের দাবি- হয় আমাদের জাতীয়করণ, নয় আমাদের মরণ। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
তিনি আরও বলেন, কারণ কেউ জাতীয়করণের আওতাভুক্ত, কেউ বঞ্চিত। এতে বঞ্চিতরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ফলে কেউ খেতে পাচ্ছে না, আবার কেউ বিরিয়ানি খেতে চাচ্ছে- অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই এমন বৈষম্যদূরীকরণ করে অতিদ্রুত বঞ্চিতদের জাতীয়করণের আওতাভুক্তের দাবি জানাচ্ছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ