ঢাকা, বুধবার 11 July 2018, ২৭ আষাঢ় ১৪২৫, ২৬ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় ওয়াসার কাজে খানাখন্দে ভরে গেছে গোটা নগরী ॥ চরম ভোগান্তি

খুলনা অফিস : ওয়াসার কাজে খুলনা মহানগরীর রাস্তা খানাখন্দে ভরে গেছে। ভোগান্তি বাড়ছে নগরবাসীর। প্রকল্পের সময় শেষ হলেও এখনো ঠিক হয়নি নগরীর রাস্তাঘাট। ফলে একটুখানি বৃষ্টির কারণে সেসব জায়গায় পানি, কাদা জমার কারণে অসহনীয় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

খুলনা ওয়াসা পাইপলাইনের মধ্যমে পানি সরবরাহের কাজ শুরু করে। যে কাজের জন্য নগরীর প্রতিটি সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি খনন করে ওয়াসা। পাইপ বসিয়ে আবার সেই খানাখন্দ বন্ধ করার কথা থাকলেও আজও বন্ধ হচ্ছে না সেই সব খানাখন্দ। প্রকল্পের মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হলেও এখনও নগরীর খানাখন্দ ঠিক হয়নি। ওয়াসা বাড়ি বাড়ি নতুন সংযোগের নামে আবারও রাস্তা খুঁড়ে কাজ করছে। কিন্তু সেখানেও একই রকমভাবে কোনরকমে মাটি চাপা দিয়ে চলে যাচ্ছে ওয়াসার লোকজন।

দায়সারা গোছের কাজ করে ওয়াসা দিন দিন নগরবাসীর ভোগান্তি বৃদ্ধি করে যাচ্ছে বলে জানান বিকে মেইন রোডের বাসিন্দা মো. আরাফাত হোসেন। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ওয়াসার কোন নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। যা ইচ্ছা তাই করছে। মানুষের সমস্যার কথা তারা ভাবে না। কোনমতে দায়সারা গোছের কাজ করে যাচ্ছে তারা।

দৌলতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মো. আবীর হোসেন জানান, ওয়াসাতো তাদের ইচ্ছামতো কাজ করে। জনগণের সমস্যা নিয়ে তারা ভাবে না। তাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে তাই করছে। তাও নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারছে না।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনার বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর এডভোকেট মো. মোমিনুল ইসলাম জানান, নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ছিল খুলনাবাসীর। কিন্তু ওয়াসা খুলনাবাসীর সে প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াসার সকল কাজেই সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। ফলে খুলনার মানুষ ওয়াসায় অভিজ্ঞ ম্যানেজমেন্টের অভাব বোধ করছে। এভাবে চলতে থাকলে সরকারের সকল ধরনের উন্নয়নের সুবিধা থেকে খুলনার মানুষ বঞ্চিত হবে।

এ ব্যাপারে খুলনা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি কামালউদ্দিন আহমেদ জানান, বর্ষার কারণে রাস্তার কাজ করা যাচ্ছে না। এর মধ্যে মেইন রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। তাছাড়া প্রকল্পের কাজ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। আশা করছি আমরা কেসিসির সাথে সমন্বয় করে বাকী কাজগুলো নির্দিষ্ট সমেয়র মধ্যে শেষ করতে পারবো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ