ঢাকা, বৃহস্পতিবার 12 July 2018, ২৮ আষাঢ় ১৪২৫, ২৭ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিদ্যুৎ আইনের মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়িয়ে আইন পাস

সংসদ রিপোর্টার: সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের স্বার্থে আইনের মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়িয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন, ২০১৮ বিল পাস হয়েছে।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু পাশের প্রস্তাব করলে তা কন্ঠভোটে পাস হয়।
বিলে বলা হয়েছে, ২০১০ সনের ৫৪ নং আইনের ধারা ১-এর উপধারা ২ সংশোধন করে বিলের মেয়াদ আট (৮) বছর, বন্ধনী এবং শব্দ গুলির পরিবর্তে ১১ বছর করা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বলানীর দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০-এর মেয়াদ আগামী ১১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে শেষ হয়ে যাবে। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার জন্য আলোচ্য আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা আবশ্যক।
প্রসঙ্গত. কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালী কাজের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে উহাদের উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চালন, পরিবহন ও বিপণনের নিমিত্ত দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে, এবং প্রয়োজনে, বিদেশ হইতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানি করবার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি সম্পর্কিত খনিজ পদার্থের দ্রুত আহরণ ও ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য আইনটি করা হয়েছিল। এটিকে অনেকে এ খাতে দুর্নীতি, অনিয়মকে দায়মুক্তি আইনও বলে থাকেন।
পিআইবি বিল
সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য বিশেষ সম্মামনা প্রদান, সাংবাদিকতা বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন, পেশাগত প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা ও ডিগ্রি কোর্স পরিচালনার ক্ষমতা দিয়ে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আইন ২০১৮ বিল পাস করেছে সংসদ।
গতকাল বুধবার তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিলটি পাস করার প্রস্তাব করলে কয়েকটি সংশোধনী গ্রহণ করে তা কন্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর আনীত সংশোধনী, জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
বিলে পিআইবি পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন মনোনিত দুইজন সদস্যসহ একটি পরিচালনা বোর্ড গঠন, তহবিল গঠন ও পরিচালনা, একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একাডেমিক কমিটি গঠন ও আইনের উদ্দেশ্য পূরণে একাধিক কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ বা জনসংযোগে দক্ষ ব্যক্তিবর্গের মধ্য থেকে সরকার পিআইবির চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন। সরকার ইনষ্টিটিউটের জন্য একজন মহাপরিচালকও নিয়োগ করবেন। তবে তিনি সাংবাদিক হবেন এমন কোন শর্ত রাখা হয়নি।
বিলের ধারায় বলা হয় এই আইন কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে ১৯৭৬ সালের ১৮ আগষ্ট গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গঠিত বাংলাদেশ প্রেস ইন্সস্টিটিউট রেজুলেশন রহিত হবে এবং রেজুলেশনের অধীন সকল স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি, নগদ ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ ও মঞ্জুরী আইনের অধীন পিআইবির এখতিয়ার ভুক্ত হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিদ্যমান বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য আইনি কাঠামো প্রদানের লক্ষ্যে নতুন আকারেও প্রস্তাবিত আইন প্রণয়নের জন্য এই বিল উপস্থাপন করা হল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ