ঢাকা, শুক্রবার 13 July 2018, ২৯ আষাঢ় ১৪২৫, ২৮ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিশ্বকাপ জিতেই ফিরতে চান ক্রোয়েশীয় কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ক্রোয়েশিয়া। এ নিয়ে প্রথমবারের মতো ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের ফাইনাল লড়াইয়ে নাম লেখালো তারা। শিরোপার পথে  এখন তাদের বাধা ফ্রান্স। আগামী ১৫ জুলাই মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে ১৯৯৮ চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়া। সেই লড়াই নিয়ে মোটেও ভয় পাচ্ছেন না কোচ জ্লাতকো দালিচ। বিশ্বকাপ জিতেই দেশে ফিরতে চান তিনি, আমরা এমন এক জাতি, যাদের পক্ষে সবই সম্ভব। এবার বাকি কাজটুকু সম্পন্ন করে দেশে ফিরতে চাই। মদ্রিচ-রাকিতিচ, মানজুকিচরা ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আনন্দের জোয়ারে ভাসছে ক্রোয়েশিয়া। দেশজুড়ে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ। সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল করছে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সুখানুভূতি শেয়ার করছে। জাতিকে এই আনন্দের মাঝেই রাখতে চান দালিচ, মনপ্রাণ উজাড় করে আমাদের সমর্থন দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা আপনাদের মনের অব্যক্ত কথা বুঝি। আপনাদের মান রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। বিশ্বকাপ জিততেই আমরা মাঠে নামব।

নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপেই সেমি-ফাইনালে উঠে ফ্রান্সের কাছে হেরে গিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। ২০ বছর পর এবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি দুই দল। ক্রোয়েশিয়ার কোচ অবশ্য প্রতিশোধের কথা না ভেবে সেরা ম্যাচ খেলার দিকে শিষ্যদের মনোযোগ দিতে বলেছেন। লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে  হারায় ক্রোয়েশিয়া। এ মাঠেই আগামী রোববার শিরোপা লড়াইয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে তারা। বেলজিয়ামকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে দিদিয়ের দেশমের দল।১৯৯৮ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে নিজেদের মাঠে ২-১ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে ফ্রান্স। সেবার শিরোপাও জিতেছিল স্বাগতিকরা আর তৃতীয় হয়ে শেষ করেছিল ক্রোয়েশিয়া। ইংল্যান্ডকে হারানোর পর এবার ফ্রান্সের বিপক্ষেও ফাইনালের জন্য দল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ক্রোয়েশিয়া কোচ।

১৯৯৮ সালে নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনাল খেলেছিল ক্রোয়েশিয়া। সেবার তৃতীয় হয়ে ফ্রান্সের আসর শেষ করা ক্রোয়াটরা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে উঠল। দালিচও প্রত্যয়ী কণ্ঠে জানিয়েছেন ফরাসিদের বিপক্ষে লড়তে প্রস্তুত তার দল।  সৃষ্টিকর্তা চান তো আমরা চ্যাম্পিয়ন হব। টানা তিন ম্যাচে আমরা এক গোলে পিছিয়ে পড়ে জিতলাম। আমরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় উপভোগ করব, বিশ্রাম নিব এবং এরপর ফ্রান্সের জন্য প্রস্তুত হব। এটা আরেকটা কঠিন পরীক্ষা এবং আমরা এটার জন্য প্রস্তুত।”কোন দলই এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের নক আউট পর্বের তিনটি ম্যাচেই অতিরিক্ত সময়ে খেলে ফাইনাল নিশ্চিত করেনি। ১৯৯০ সালে ইংল্যান্ড দু’টি ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে খেলার পরে সেমিফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছিল। বাছাইপর্ব মিশন শেষ করার কিছু আগে ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দালিচ। তাঁর অধীনে গ্রীসকে প্লে-অফে পরাজিত করে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ক্রোয়েটরা। দালিচের মতে ফ্রান্স একটি বিশ্বমানের দল হলেও তার দলও নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই ফাইনালে উঠেছে। ইংল্যান্ডকে পরাজিত করার আগে গ্রুপ পর্বে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ