ঢাকা, শুক্রবার 13 July 2018, ২৯ আষাঢ় ১৪২৫, ২৮ শাওয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খানাখন্দে ভরা সায়দাবাদ-বেলকুচি-এনায়েতপুর বাইলেন সড়ক ॥ জনদুর্ভোগ

সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর বাইলেন সড়কটির কদমতলী নামক স্থানের দৃশ্য

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় কোন কাজেই আসছে না বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কের সয়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত ২০কিলোমিটার দীর্ঘ বাইলেন সড়কটি। বৃষ্টির কারণে সড়কে খানাখন্দের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সড়কের পাশে সঠিক অনুপাতে ঢালু না রাখায় সামান্য বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভেঙ্গে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকল্পের সময়সীমা শেষ হওয়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না বলে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ জানিয়েছেন।  

সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কের সয়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত ২০কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কের পাশে বাইলেন সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এজন্য ২০১০সালে প্রকল্পের টেন্ডার আহবান করা হয়। ২০১১সালের ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২৬কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পান ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সষ্ট্রাকশন লিমিটেড। ২০১২সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও তা করতে পারেনি ওই ঠিকারদারী প্রতিষ্ঠান। সড়ক বিভাগ থেকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়। অবশেষে ২০১৭ সালে নির্মাণ কাজ শেষে বাইলেন সড়কটি সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। হস্তান্তরের এক বছরের মধ্যেই সড়কটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল আকারের গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সড়ক দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষও যাতায়াত করতে পারছে না। 

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ বলেন, প্রকল্পটি অসুস্থ্য প্রকল্প। যে কারণে এর সময়সীমা বেড়ে ৭ বছরে দাঁড়ায়। সাধারণত একটি প্রকল্প আমরা ২বছরে শেষ করি। এখানে বাইলেন সড়কের প্রয়োজন ছিলোনা। সমন্বয়ের অভাবে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা যায়নি। 

এবিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি অনুকূলে নেই। যেহেতু প্রকল্পের সময়সীমা শেষ হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ