ঢাকা, রোববার 15 July 2018, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫, ১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রকাশিত সংবাদে বিজিএমইএ এর প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার: গত ১৩ জুন ২০১৮ শুক্রবার দৈনিক সংগ্রামের শেষ পাতায় প্রকাশিত “পোশাক শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলে অর্থ জমা হচ্ছে না” শিরোনামে শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিএমইএ। বিজিএমইএ বলছে, “গার্মেন্টস শ্রমিকদের কল্যাণে তহবিল গঠনের জন্য তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শতকরা তিন পয়সা হারে কর্তনের বিধান রয়েছে। কিন্তু এই অর্থ জমায় পিছিয়ে আছে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সংশ্লিষ্ট গার্মেন্টস কারখানার মালিকরা।” দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত উদ্ধৃতি অংশের তথ্যটিকে বিজিএমইএ বলছে মোটেও সত্য নয়। এতে করে পোশাক শিল্পের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হচ্ছে ও বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তি আশংকা রয়েছে বলে তারা মনে করছে। বিজিএমইএ এ ব্যাপারে প্রতিবাদ জানিয়ে সংশোধনী দাবি করছে।
প্রতিবাদ লিপিতে তারা আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে পোশাক রপ্তানিকারকগণ তাদের স্ব স্ব ব্যাংকের এডি শাখার মাধ্যমে এলসি করে থাকেন। বিদেশী ক্রেতার নিকট থেকে রপ্তানিমূল্য প্রত্যাবাসিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এডি শাখায় প্রত্যাবাসিত রপ্তানি মূল্য জমা হয়। এই প্রত্যাবাসিত রপ্তানিমূল্যের ০.০৩% অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এডি শাখা সরকারি নির্দেশনার আলোকে সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় তহবিল (আরএমজি সেক্টর) হিসাবে জমা প্রদান করে। এক্ষেত্রে পোশাক রপ্তানিকারকগণের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার বাঁধা সৃষ্টির সুযোগ নাই। উল্লেখ্য যে, পোশাক রপ্তানিকারকগণ দেশের সকল আইন ও বিধি বিধান মেনে রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। 
প্রতিবেদকের বক্তব্য : দৈনিক সংগ্রামের প্রকাশিত নিউজ সম্পর্কে প্রতিবেদকের বক্তব্য হচ্ছে, নিউজ যথাযথ তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে এ সম্পর্কে কোনো প্রকার বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো অবকাশ নাই। নিউজ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রমাণ দৈনিক সংগ্রামের কাছে আছে। কেন্দ্রীয় তহবিলে যে প্রয়োজনীয় অর্থ জমা হচ্ছে না তা গত ২৯ মে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়ের উপ মহাব্যবস্থাপক মো. হারুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, উক্ত সার্কুলার পত্রে প্রদত্ত নির্দেশনা শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কিছু কিছু ব্যাংক রপ্তানিমূল্য থেকে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ কর্তন করছে না মর্মে জানা যায়। ফলে কেন্দ্রীয় তহবিল-এ প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম অর্থ জমা প্রদান করছে। এখানে উল্লেখ্যে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের কথাই সূত্র হিসেবে প্রকাশিত নিউজে বলা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ