ঢাকা, রোববার 15 July 2018, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫, ১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন মাসের বেতন এখনো ছাড়করণ না করায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দের তীব্র ক্ষোভ

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন মাসের বেতন এখনো ছাড়করণ না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। জুলাই মাসের আজ ১৫ তারিখ অতিবাহিত হলেও এখনো জুন মাসের বেতনের সরকারি অংশ ছাড়করণ না হওয়ায় সামান্য বেতনভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ নানাবিধ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। অনেকেই বাসা ভাড়া দিতে পারছেন না। আবার কেউ কেউ অগ্রিম চেক জমা রেখে সুদে টাকা নিয়ে জীবন চালাচ্ছেন। বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। সামান্য  বেতনভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ যথা সময়ে বেতন না পেয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
গতকাল শনিবার “বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির” কেন্দ্রীয় সভাপতি ও “এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের” মুখপাত্র মোঃ নজরুল ইসলাম রনি এবং বাশিসের মহাসচিব মোঃ রবিউল আলম এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের সরকারি অংশ পেতে বিলম্ব কেন তা আমাদের বোধগম্য নহে। প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করার বিধিবিধান থাকলেও সেটি কেন বাস্তবায়ন হয়না শিক্ষক সমাজ তা জানতে চায়। সরকারের ভিতরে একটি অশুভ চক্র রয়েছে- যাদের কারণে এ ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। অশুভ চক্রের কারণে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। অবিলম্বে জুনের বেতন ছাড়করণসহ জুলাই মাসের বেতনের সাথে বকেয়াসহ ৫% ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা প্রদানে মাননীয় প্রধানন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেন - বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর আব্দুল মালেক, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম, অর্থসচিব আবুল বাশার বাদশা, সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, মোঃ মোহসিন উদ্দিন, মোঃ আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মুঞ্জুরুল আমিন শেখর এবং মহাসচিব মোঃ বদরুজ্জামান বাদল প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ