ঢাকা, রোববার 15 July 2018, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫, ১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বেলজিয়াম তৃতীয়

কামরুজ্জামান হিরু : ১৯৬৬ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মত তৃতীয়স্থান দখলে নিল বেলজিয়াম। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চতুর্থস্থান অর্জন। বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন নিয়েই রাশিয়া মিশনে এসেছিল বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড। কিন্তু সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের কাছে হেরে শিরোপা স্বপ্ন ভেঙ্গেছে ইংল্যান্ড ও বেলজিয়ামের। স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি দু’দলের জন্য হতাশার হলেও বেলজিয়ামের জন্য ছিল এগিয়ে যাওয়ার।
বেলজিয়ামের সোনালী প্রজন্ম নিজেদের শিরোপার দ্বারপ্রান্তে পৌঁচ্ছাতে না পারলেও ইংলিশদের বিপক্ষে জয়টা তাদের নতুন মাইল ফলকে পৌঁচ্ছে দিয়েছে। বিশ্বকাপের তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে একটি গোলেই রেকর্র্ডের পাতায় উঠে গেল বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ডের নাম। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার থমাস মুনিয়ের গোল করে রেড ডেভিলসদের এগিয়ে দেন। আর এর ফলে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত গোল করার রেকর্ড গড়লো বেলজিয়াম। রেকর্ড হয়েছে ইংল্যান্ডেরও, তবে তাদেরটি অপ্রত্যাশিত। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ইংলিশরা সবচেয়ে দ্রুত গোল হজম করার রেকর্ড গড়লো। সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত প্রতিদ্বন্ধীতাপূর্ণ ম্যাচে বেলজিয়াম ২-০ গোলে জয় তুলে নিয়েছে। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়েছিল বেলজিয়াম।
গুরুত্বহীন হলেও এই ম্যাচে বেলজিয়াম এবং ইংল্যান্ড দু’দলই মাঠে নামিয়েছে শক্তিশালী একাদশ। যে কারণে খেলাটাও শুরু থেকে ছিল উপভোগ্য। যদিও পরিসংখ্যানের হিসেবে ইংল্যান্ডের পায়েই ছিল সবচেয়ে বেশি বলের দখল। ইংল্যান্ডের ছিল ৫৭ ভাগ আর বেলজিয়ামের ছিল ৪৩ ভাগ। কিন্তু ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোটাই বেলজিয়ামের হাতে চলে যায়। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই গোল আদায় করে নেয় বেলজিয়াম। ইংল্যান্ডের ডিফেন্সের ভুলই ছিল মুখ্য। নাসের চাদলির জন্য অনেক বেশি জায়গা ছেড়ে দেয় ইংলিশরা। তার বাড়ানো বল শেষ মুহূর্তে পা লাগিয়ে ইংল্যান্ডের জালে জড়িয়ে দেন থমাস মুনিয়ের। দ্বিতীয়ার্ধে আরো একটি গোল করলে ২-০ গোলে হার মানে ইংলিশরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ