ঢাকা, রোববার 15 July 2018, ৩১ আষাঢ় ১৪২৫, ১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চরসাদীপুর ও চরভবানীপুর নিরবচ্ছিন্ন দ্বীপ

কুমারখালী উপজেলার ১১ নম্বর চরসাদীপুর ইউনিয়ন গঠনের পর থেকে এর বাসিন্দারা অবহেলা, বঞ্চনা আর দূর্ভোগের শিকার। উপজেলা সদরের সঙ্গে দূরুত্ব, অপ্রতুল যোগাযোগে ব্যবস্থা ও দূর্গম এলাকার ইউনিয়নটির অবস্থানই তাদের এ ভোগান্তির কারণ। অথচ ইউনিয়নটির পাশেই পাবনা উপজেলা সদরের অবস্থান। তাই ইউনিয়নটির বাসিন্দারা চায় কুমারখালী নয়, তাদের পাবনা জেলার অন্তর্ভূক্ত করা হোক। এদিকে পাবনার ভাড়রা ইউনিয়নের চরভবানীপুর গ্রামটি কুমারখালী ৩ নম্বর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হলেই সুবিধা বলে গ্রামবাসী মনে করে। সরেজমিনে চরসাদীপুর গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নটির ভৌগোলিক অবস্থান বিশাল পদ্মা নদীর উত্তর দিকে। ইউনিয়নটি থেকে কুমারখালী উপজেলা সদরের দূরত্ব পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে প্রায় ২৫-৩০ কিলোমিটার ইউনিয়নটির বাসিন্দাদের দু-তিন ঘন্টা সময় লেগে যায়। এ অবস্থায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা, জমাজমির খাজনা-খারিজ করা, এলাকার উন্নয়ন, মামলা-মোকদ্দমা ও বিচারিক কার্যক্রমসহ চিঠিপত্র আদান-প্রদান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, পরিবার-পরিকল্পনা, সরকারী ত্রানসামগ্রী, যথাসময়ে পৌছানো ইত্যাদি কাজই অত্যান্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল ব্যাপার। এদিকে ইউনিয়নটির মাত্র এক কিলোমিটার পূর্বে পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়ন, পশ্চিমে হেমায়েতপুর ইউনিয়ন ও উত্তরে পাবনা পৌরসভা। চরসাদীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানান, ১৯৯৭ সালে ৯/১০ টি মৌজা নিয়ে চরসাদীপুর ইউনিয়ন গঠিত হয়। সে সময়ের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ইউনিয়নবাসীর দূর্ভোগ কমছেই না। অথচ পুরো এলাকাই পাবনা সদর উপজেলার সঙ্গে গায়ে গায়ে লাগানো এবং পাবনা পৌরসভা থেকে মাত্র তিন-চার কিলোমিটারের মধ্যে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ