ঢাকা, সোমবার 16 July 2018, ১ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিদায় রাশিয়া দেখা হবে কাতার বিশ্বকাপে

স্পোর্টস ডেস্ক : স্বাগতিক রাশেয়া ও সৌদি আরবের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় রাাশিয়া বিশ্বকাপ ১৪ জুন। ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে এবং গতকাল রোববার নানা আনুষ্ঠনিকতার মধ্যদিয়ে শেষ হয় টুর্নামেন্ট। এর পর দেখা হবে কাতার বিশ্বকাপে। ২০২২ সালে অনুষ্ঠত হবে কাতার বিশ্বকাপ।রাশিয়া বিশ্বকাপ জুন-জুলাইয়ে হলেও কাতার বিশ্বকাপ হবে শীত মওসুমে অক্টোকর-নবেম্বরে। উত্তেজনা, অঘটন ও নানা রেকর্ডের মধ্যদিয়ে শেষ হল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে। চার বছর পর আশা বিশ্বকাপে ঠিক এরকম উন্মাদনার জন্যেই মুখিয়ে থাকে পুরো বিশ্ব। তাদেরকে হতাশ হতে হয়নি এবার। ফেবারিটদের পতন হলেও বিশ্বকাপের সব রঙই ছিল রাশিয়া বিশ্বকাপে। ৩১ দিনের ম্যারাথন শেষে বিশ্বকাপের মশাল চলে যাবে কাতারের হাতে। ২০১০ সালে জুরিখে এক ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রতাপশালী যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ করে নেয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে তখন থেকেই চলছিল নানা আলোচনা-সমালোচনা।২০১৪ সালে বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে কাতারের নাম ঘোষণার বিরুদ্ধের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এক পর্যায়ে মনেও হচ্ছিল হয়তো, ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হতে কাতারের নাম মুছে ফেলা হতে পারে। কিন্তু সব কিছুকে পাশ কাঁটিয়ে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক  কাতার।মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হওয়াতে কাতারে অন্য দেশগুলোর তুলনায় গরমটা একটু বেশিই বৈকি। আবহাওয়ার কথা চিন্তা করে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ আয়োজন করা হবে নভেম্বর মাসে। তখন কাতারে শীতকাল থাকায় খেলোয়াড়দেরও সুবিধা হবে। কাতারেই ৪৮ দলের বিশ্বকাপ অংশ নেওয়ার কথা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ফিফার পরবর্তী বৈঠকেই বোঝা যাবে। তবে ৪৮ হোক কিংবা ৩২ দল হোক।মোট ৮টি অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামে খেলানো হবে ম্যাচগুলো। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে এই স্টেডিয়ামগুলো তৈরি কর তারা। কাতার বিশ্বকাপ ভিন্ন আলোড়ন সৃষ্টি করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে ।সম্প্রতি কাতার বিশ্বকাপ কমিটির প্রধান হাসান আল তাওয়িদি জানিয়েছেন, ‘আমরা চাপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। বিশ্বকাপের থেকে বড় কোন প্লাটফর্ম নেই নিজেদেরকে জানানোর। রাশিয়া অসাধারণ একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। মানুষের মনে গেঁথে রাখার মত একটি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে তারা। আমরা বিশ্বাস করি রাশিয়ার এই আয়োজনের পর মানুষের প্রত্যাশাও অনেক বাড়বে। আমরা নিজেদের নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সেটা পূরণ করতে পারবো।কাতার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কি না সেটা হয়তো সময়েই বলে দিবে কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপের পর আবারো ৪ বছর ৪ মাসের অপেক্ষা ফুটবল অনুরাগীদের ফিরিয়ে আনছে এশিয়ার মাটিতে। ফুটবল উন্মাদনায় ছেয়ে যাক পুরো কাতার তথা সারাবিশ্ব। চার বছর পর আবারো বিশ্বকাপ ফুটবলে দেখা হবে কাতারে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ