ঢাকা, সোমবার 16 July 2018, ১ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ইতিহাস গড়ার আনন্দ বেলজিয়াম কোচের

স্পোর্টস ডেস্ক : সেই ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চতুর্থ হওয়ার সাফল্য এবার রাশিয়ার আসরে তৃতীয় হয়ে ছাপিয়ে গেছে বেলজিয়াম। দলটির কোচ রবের্তো মার্তিনেস তাই ইতিহাস গড়ায় আনন্দ অনুভব করছেন।গত শনিবার সেন্ত পিতার্সবুর্গ স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারায় বেলজিয়াম। ম্যাচ শেষে দলের অর্জনে সন্তুষ্টি জানান মার্তিনেস।“আমরা একটা মাইলফলক দাঁড় করেছি এবং এই ছেলেরা যার যোগ্য। আমরা এটা (বিশ্বকাপ) জিততে চেয়েছিলাম। অবশ্যই আপনি যখন ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে উঠবেন, তখন শিরোপা জয়ের চেষ্টায় আপনার মনোযোগ থাকবে। কিন্তু আমাদেরও বাস্তববাদী হতে হবে এবং যখন আমরা পিছু ফিরে এই টুর্নামেন্টের দিকে তাকাব, দেখব বেলজিয়ামের এই ছেলেরা ইতিহাস গড়েছে এবং এটাই সবকিছু। “মেক্সিকোর আসরে বেলজিয়ামের ১৯৮৬ প্রজন্মের অর্জন সবসময় অনুপ্রেরণার ছিল এবং বেলজিয়ামের ফুটবলে তারা একটা লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। এই ছেলেরা সেটা অতিক্রম করেছে এবং এটা ঐতিহাসিক। এই পর্যায়ে পৌঁছাতে ৩২টি বছর লেগেছে এবং এটা সন্তুষ্টির আসল স্বাদ দিচ্ছে। কোচের মতো গর্ব অনুভব করছেন বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার ভিনসেন্ট কম্পানি। ফ্রান্সের কাছে সেমি-ফাইনালের হার হতাশার হলেও সব মিলিয়ে খুশি তিনি।” “তৃতীয় হতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। আমরা তিনটা দিন খুব কষ্টের মধ্যে ছিলাম; কেননা ফ্রান্সের কাছে হারটা ছিল কঠিন।” “আমরা আজ দেখালাম যে সত্যিই আমরা তৃতীয় স্থান পেতে চেয়েছি। বেলজিয়ামের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম আমরা বিশ্বকাপে তৃতীয় হলাম। এটা বেলজিয়ামের জন্য ভালো। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের পারফরম্যান্স ছেলেবেলায় আমি দেখতাম।“বেলজিয়ামের এই প্রজন্ম এক ধাপ এগিয়েছে। আমরা ফাইনালের কাছাকাছি ছিলাম। যদি আমরা ফাইনালে যেতে পারতাম, তাহলে জিততাম। কিন্তু তৃতীয় হওয়াটাও সুন্দর। সাত ম্যাচের মধ্যে ছয় জয়-এটা আমাদের সমর্থকদের জন্য উপহার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ