ঢাকা, সোমবার 16 July 2018, ১ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চলতি অর্থ বছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা খুব দ্রুত নির্ধারণ হবে -বাণিজ্যমন্ত্রী

পণ্য রফতানিতে অবদানের জন্য গতকাল রোববার ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৬৩টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রফতানি ট্রফি দেয়া হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: বিগত অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা খুব দ্রুতই নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে পণ্য খাতে সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো  যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের অয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী এমপি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৭৭২টি পণ্য ১৯৬ দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ২০২১ সালে রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। চামড়া, তথ্য প্রযুক্তি, ফার্মাসিটিক্যালস, প্লাস্টিক, ফার্নিচার খাতকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রয়োজন অনুপাতে অর্থসহায়তাও দিচ্ছি।
 তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতি ঈর্ষণীয় উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। কারখানাগুলোকে গ্রিন ফ্যাক্টরিতে রূপ দিচ্ছি, যা বিশ্বের কাছে সম্মান অর্জন করেছে।
 তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩২তম অর্থনৈতিক শক্তি। এক সময় বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করে আমরা বাজেট করতাম। এখন আমরা নিজেদের ওপর নির্ভর করেই বাজেট দিয়েছি।
ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যার দিক তুলে ধরে রপ্তানি আয় বাড়াতে তা সমাধানের দাবি জানান এফবিসিসিআই সভাপতি। এসময় তিনি বলেন, ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বিশ্বের অনেক দেশেই নাই। আমরা টেক্সটাইলের ওপর নির্ভর হয়ে পড়ছি। অন্য খাতগুলোতে আমরা কেন পারছি না? আগামী দিনে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কী হবে? পোর্টে প্রতি ঘণ্টায় খরচ বাড়ে এসব দিকে তাকাতে হবে। তাহলে ২০২১ আমাদের লক্ষ্যমাত্রা, ১০০টি অর্থনৈতিক এলাকার আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, তা পূরণ করতে পারবো। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়তে রপ্তানি বাড়াতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ