ঢাকা, সোমবার 16 July 2018, ১ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা

খুলনা অফিস : খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির জুলাই মাসের সভা গতকাল রোববার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিগত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এবং জেনারেল হাসপাতালের সামনে ময়লা ফেলার ডাস্টবিন অপসারণ করা দরকার। এক্ষেত্রে নিকটবর্তী ভৈরব নদীর পাশের কিছু জায়গা নির্দিষ্ট করে দিলে এসব ডাস্টবিন সরিয়ে নেয়া যেতে পারে । কেসিসি প্রতিনিধি বলেন, শহরে ৪৮টি ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং কিছু বাড়ির ছাদ ছিদ্র করে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অধীনে ২২টি এবং গণপূর্ত বিভাগের অধীনে থাকা ১৬টি ভবনের লিজ অর্থাৎ বরাদ্দ দ্রুত বাতিল করে তালিকা স্ব-স্ব দপ্তরে প্রেরণ করতে হবে। গণপূর্ত বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জোড়াগেট সি এন্ড বি কলোনীর জরাজীর্ণ সরকারি কোয়ার্টার দ্রুত পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে নতুনভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ১টি ডরমিটরি নির্মাণের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত প্রকল্পের আওতায় আঠারোবেকী নদী পূন:খনন, সংযোগ খাল পূন:খনন ও নদী তীর সংরক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে। তিনি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নদীর তীরবর্তী জমি থেকে ইটভাঁটাসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করত: নদীর পাড়ে বনায়ন করা যেতে পারে ।
কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান বর্ষা মওসুমে কয়রা উপজেলার ১৩০ কিলোমিটার বাঁধের মধ্যে ৪০ কিলোমিটার বাঁধই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং যেকোন সময় তা ভেঙ্গে বিপুল এলাকা প্লাবিত হয়ে যেতে পারে। এটি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নিতে হবে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, বটিয়াঘাটা, দাকোপ, নলিয়ান ফরেস্ট সড়কের ঝপঝপিয়া সেতু নির্মাণের জন্য চীন সরকারের সাথে এম ও ইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে যা ১১তম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু হিসেবে নির্মিত হবে।
সামাজিক বন বিভাগ এর প্রতিনিধি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদের স্মরণে সমগ্র দেশব্যাপী একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ লক্ষ বৃক্ষ রোপণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলার ৯টি উপজেলায় ৬০ হাজার চারা রোপন করা হবে। এ জন্য উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুপাতে চারার সংখ্যা প্রয়োজন। প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ দায়িত্বে চারা সংগ্রহ ও রোপন করবেন। এ প্রসঙ্গে সভাপতি ঘন জায়গায় গাছ না লাগিয়ে ফাকা জায়গায় গাছ লাগানোর উপর গুরুত্বরোপ করেন।
সভায়  কেডিএ সচিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কেসিসি’র প্রতিনিধি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,  উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ