ঢাকা, সোমবার 16 July 2018, ১ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সমস্যা জর্জরিত বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত

জেলায় অবস্থিত বুড়িমারী স্থলবন্দরটির নানা সমস্যার কারনে ব্যহত হচ্ছে আমদানী রফতানী কার্যক্রম। দ্রুত সমস্যা সমাধান হলে বন্দরে রাজস্ব আয় বাড়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৯৮৯ সালে শুল্ক স্টেশন হিসেবে মাত্র ১৮ একর জায়গা নিয়ে বুড়িমারী স্থলবন্দর চালু হয়। কালের পরিক্রমায় বন্দরের ব্যবসা বানিজ্যের পরিধি বেড়েছে। এতে করে বন্দরে কমপক্ষে আরো ৫০ একর জমির প্রয়োজনীতা দেখা দিয়েছে। বন্দরের আশে পাশে অনেক জমি খালি পড়ে আছে।
বন্দরের প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহন করা জরুরী হয়ে পড়েছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দরে ট্রান্সশিপম্যান ইয়ার্ড নেই। পৃথক কাস্টম ভবন ও ইমিগ্রেশন ভবন নেই। বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনতে পৃথক পৃথক ভবন প্রয়োজন। এছাড়ও বুড়িমারী স্থলবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। বন্দরে নিজস্ব পুলিশ ও আনছার ব্যাটালিয়নের ফাঁড়ি নেই। বন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে দেখা গেল নিরস্ত্র আনছার সদস্য। বন্দরে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের পরিবার পরিজনে বসবাস করার আবাসিক কোয়ার্টার নেই।
বুড়িমারী স্থলবন্দরে দেশের কোন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের বুথ বা অফিস নেই। ব্যবসায়ী ও কাষ্টম কর্তৃপক্ষকে ব্যাংকিং কার্যক্রম করতে বন্দর হতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দুরে পাটগ্রাম উপজেলা সদরে যেতে হয়। বুড়িমারী স্থলবন্দরের সিএন্ড এফ এজেন্ট সমিতির ব্যবসায়ী নেতা রুহুল আমীন বাবুল জানান, বুড়িমারী স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে রেললাইন রয়েছে। বুড়িমারী বন্দরে জিরো পয়েন্ট হতে রেল সংযোগ নিতে মাত্র পাঁচশ’ মিটার রেললাইন বাংলাদেশ রেলওয়েকে বসাতে হবে। সরকার যদি রেলপথু সংযোগ করে দেয় তাহলে পাথর, কয়লাসহ অপঁচনশীল পণ্য রেলওয়ের মাধ্যমে পরিবহন করা সহজ হবে।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের দৃশ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান হলে যেমন রাজস্ব বাড়বে, তেমনি পণ্য আমদানী-রপ্তানীতে সুবিধা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ