ঢাকা, মঙ্গলবার 17 July 2018, ২ শ্রাবণ ১৪২৫, ৩ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রামপালে লাইসেন্স ছাড়া বেশী দামে এলপি গ্যাস বিক্রয় করছে ডিলার

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা: রামপালে বেশ কয়েকবার জেলা বাজার নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কার্যালয় থেকে অভিযান চালানোর পরও অনুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়াই দেদারসে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ব্রান্ডের এলপি গ্যাস। লোকজন চলাচলের রাস্তার পাশে কিংবা বাসাবাড়ি এলাকায় এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ করে এ ঝুকিপূর্ণ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। বেশীরভাগ স্থানীয় গ্যাস ডিলার এবং খুচরা ব্যাবসায়ীদের বৈধ অনুমোদন নেই। অনেক ক্ষেত্রে তাদের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র নেই। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বারবার তাদের জরিমানা করে লাইসেন্স ছাড়া গ্যাসের ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ করার তাগাদা দিলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আর সুযোগ পেলেই অসাধু ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বাজারদর ছাড়া ৫০-৬০ টাকা বেশী দামে গ্যাস বিক্রয় করে ক্রেতাদের হয়রানি করছে।
সূত্রে প্রকাশ, রামপালের বড় দুইটি বাজার ফয়লাহাট এবং গিলাতলা এলাকায় রয়েছে এলপি গ্যাস বিক্রয়ের একাধিক এজেন্ট এবং ডিলার। এর মধ্যে ফয়লাহাটেই  প্রচলিত বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাস পাইকারী এবং খুচরা বিক্রয় হয় বেশী। এসব ডিলারদের ছাড়পত্র থাকলেও তাদের অধিকাংশের অগ্নিনির্বাপক কোন ব্যবস্থা নেই। আইনত যে পদ্ধতিতে গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ করার কথা, মানা হচ্ছে না সে নিয়মও। অনেক ক্ষেত্রেই বাজারে লোকজন চলাচলের রাস্তায় ফুটপাতে গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার রেখে রাস্তা আটকে রাখে। এতে একদিকে যেমন ক্রেতাদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয় তেমনি একটু অসতর্কতার জন্য যে কোন সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে বড়সড় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ক্রেতা বা ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করে বেশী দামে গ্যাস বিক্রয়ের কারণে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও ক্ষতির সম্মূখীন হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা । এ বিষয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা বাজার নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তা সুজাস হোসেন খান এর সাথে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, বিদ্যুত জ্বালানী এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রাণালয় থেকে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মামুন উল হাসান কে সভাপতি এবং আমাকে সাধারণ সম্পাদক করে বিস্ফোরক লাইসেন্স অনুমোদন এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বিগত সময়ে আমরা লাইসেন্সবিহীন এসব এলপি গ্যাস ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করে তাদেরকে লাইসেন্স করার জন্য সময় দিয়েছিলাম। এর পরও যদি আইন না মেনে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে তাদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ