ঢাকা, বৃহস্পতিবার 19 July 2018, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ৫ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

উচ্চ আদালতের রায় সত্ত্বেও এলজিইডির ৩৮২৩ কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণ করছে না সরকার

স্টাফ রিপোর্টার : স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সরকারি অন্যান্য দপ্তরে কর্মচারী হয়রানি এবং রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত কর্মচারীদের চাকরিকাল গণনা, টাইমস্কেল- সিলেকশন গ্রেড জটিলতা নিরসনে আদালতের চুড়ান্ত রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে কর্মচারীরা। তাদের দাবি, অজ্ঞাত কারণে সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে।  কোন কোনক্ষেত্রে তাদের চাকরিতে হয়রানি এবং চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ব্যানারে সাংবাদিক সম্মেলন  করে তারা এদাবি করেন। দাবি আদায়ে কর্মসূচীও ঘোষণা করেন তারা। এরমধ্যে রয়েছে, ২৯ থেকে ৩১ জুলাই রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এলজিইডিভবন চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি; আদালতের রায় বাস্তবায়নে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠায় রাজধানীর প্রতিটি দপ্তরে গণসংযোগ এবং ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব মো. হেদায়েত হোসেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী। উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান, কার্যকরী সভাপতি আব্দুল হাই মোল্লা, সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম, শরীফ আবুল খায়ের, মোখলেসুর রহমান, যুগ্ম- মহাসচিব বাহার উদ্দিন, আক্তার হোসেন প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে এলজিইডি কর্র্র্তৃক গৃহীত বেশ কিছু প্রকল্পে বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা- কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব প্রকল্পে মাষ্টাররোলে নিয়োগকৃত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অধিকাংশই ২০/২৫ বছর যাবত চাকরি করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে আবেদন নিবেদন করার পরও চাকুরী স্থায়ী না হওয়ায় উচ্চ আদালতের শরনাপন্ন হন কর্মচারীরা। রায় অনুযায়ী প্রথম দফায় আড়াই হাজার কর্মচারীকে স্থায়ী করা হলেও বাদ থেকে যায় ৩৮২৩ জন। এদের বেলায় হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন না করে অমানবিকভাবে চাকুরীচ্যুত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে কর্মচারী হয়রাণি এবং রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত কর্মচারীদের চাকুরীকাল গণনা, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় বাস্তবায়নের সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এছাড়া হাইকোর্টের রায়কে উপেক্ষা করে বেশ কিছু কর্মচারীকের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কর্মচারীরা বলছেন, কর্মচারী কল্যান ফেডারেশন কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের চাকরি রাজস্বভুক্তির জন্য বেশ কিছুদিন ধরে কর্মতৎপরতা চালিয়ে আসছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি কর্ণপাত করছে না। কিছু কিছু দপ্তরে কর্মচারীদের ন্যায্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে চরম উদাসিনতা এবং স্বাভাবিক দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ