ঢাকা, শুক্রবার 20 July 2018, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ডিসেম্বরেই পাওয়া যাবে ই-পাসপোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার: ই-পাসপোর্ট চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশের পক্ষে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান ও জার্মানির পক্ষে ভেরিডোস এর মি. কুনস এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও সফররত জার্মান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিয়েলস আনেন এসময় উপস্থিতি ছিলেন।

চুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্টের তালিকায় নাম লেখাতে সক্ষম হবে। বর্তমানে ১১৮টি দেশ ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরেই নাগরিকদের হাতে পৌঁছাবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বই, যা ই-পাসপোর্ট নামে পরিচিত।

পর্যায়ক্রমে এটি বিদ্যমান মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) জায়গায় প্রতিস্থাপিত হবে। সূত্র জানায়, জার্মান সরকারের সঙ্গে জিটুজি চুক্তির আওতায় ই-পাসপোর্ট প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেন। এরপর প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিআইপি) তৈরি থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক সব কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করে পাসপোর্ট ও বহির্গমন অধিদফতর। ই-পাসপোর্ট প্রকল্পে ইতিমধ্যে বরাদ্দ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬শ’ ৩৫ কোটি টাকা।

এরপর দীর্ঘ ৮ মাস ধরে প্রকল্পের নানা দিক নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণের পর চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হল। চুক্তি অনুযায়ী প্রকল্পের মেয়াদ হবে ১০ বছর। জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস প্রথম পর্যায়ে ৩ কোটি ই-পাসপোর্ট বুকলেট সরবরাহ করবে।

এছাড়া রাজধানীর উত্তরায় একটি ই-পাসপোর্ট বুকলেট তৈরির কারখানা স্থাপন করা হবে। দেশের বিভিন্ন বন্দরে ৫০টি ই-গেট (ইলেক্ট্রনিক প্রবেশ পথ), দেশের অভ্যন্তরে ৭২টি পাসপোর্ট অফিস, ৮০টি বিদেশি মিশন, ৭২টি এসবি ও ডিএসবি (পুলিশের বিশেষ শাখা) এবং ২২টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টসহ সব অফিসে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক প্রদান করবে জার্মানি।

প্রকল্পের আওতায় ১০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জার্মানিতে ২ সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া একটি দুর্যোগকালীন রিকভারি সেন্টার ও ১০ বছর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে জার্মানির সংশ্লিষ্ট কোম্পানিটি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ