ঢাকা, রোববার 22 July 2018, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশের বাইরে লিগ খেলতে পারবেন না মোস্তাফিজ

স্পোর্টস রিপোর্টার : দেশের বাইরে আইপিএল-পিএসএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে কাটার মাস্টার মোস্তাফিজকে নিষেধ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলে গত দুই আসরেই চোটে পড়েছেন তিনি। সবশেষ ইনজুরিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট সিরিজ খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার। ২০১৬ সালে আইপিএল অভিষেকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে চ্যাম্পিয়ন করানোর পর ইংলিশ ক্লাব সাসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়ে কাঁধে  চোট পান মোস্তাফিজ। গত বছর তো চোটের কারণে মাত্র একটা ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন হায়দরাবাদের হয়ে। এবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সিতে ৭ ম্যাচ খেলে বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুলে আঘাত নিয়ে দেশে ফেরেন কাটার-মাস্টার। তাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্ট খেলতে পারেননি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকেই বাজিমাত করা এই পেসার। এ নিয়ে ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান আকরাম খান এবং বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ ক্ষোভ প্রকাশও করেছিলেন। আর এবার বোর্ড প্রধান নিলেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। বিদেশি লিগে খেলতে মোস্তাফিজকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হবে না জানিয়ে নাজমুল জানিয়েছেন, ‘দুঃখজনক ব্যাপার হলো, সে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সময় চোট পায়। তারপর আর জাতীয় দলে খেলতে পারে না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি এরই মধ্যে তাকে বলে দিয়েছি, পরের দুই বছর সে জাতীয় দলের বাইরে খেলতে পারবে না।’ বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন, কয়েক জন সিনিয়র ক্রিকেটার টেস্ট খেলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তবে দলের অভিজ্ঞ ও সিনিয়র খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া কঠিন মেনে নিয়েই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির জন্য বিশেষজ্ঞ খেলোয়াড় খোঁজায় মন দিচ্ছেন নাজমুল। তিনি বলেছেন, ‘টেস্টের জন্য আমাদের নতুন সেট আপ তৈরি করতে হবে। গত চার বছর ধরেই আমি এটা বলছি। সব ফরম্যাটে খেলতে পারে এমন তিন বা চারজন খেলোয়াড় আমাদের অবশ্যই হাতে রাখতে হবে। সব আন্তর্জাতিক দল এটা করছে। প্রত্যেক দলেরই আছে টি-টোয়েন্টি ও টেস্টের বিশেষজ্ঞ খেলোয়াড়। টেস্টে আমাদের আছে কেবল মুমিনুল হক। কিন্তু পাঁচ বা ছয়জনকে বেছে নিতে হবে আমাদের।’ নাজমুল আরও যোগ করেছেন, ‘আমাদের তামিম ইকবাল এবং আরেকজন ওপেনার আছে। তাদের সঙ্গে আছে তিনজন পেস বোলার ও একজন স্পিনার। সাকিব, মুশফিকুর (রহিম) ও রিয়াদকে (মাহমুদউল্লাহ) তো পাল্টানো (ব্যাটিং অর্ডার) যাবে না। মুমিনুল খেলে তিন নম্বরে। এক সিরিজ বাজে খেললেই তাকে বাদ দেওয়া যায় না। সাত নম্বর পজিশনে আমাদের আছে মোসাদ্দেক (হোসেন), সাব্বির (রহমান), মিরাজরা (মেহেদী হাসান)।’ সিনিয়রদের অনুপস্থিতির শূন্যতা পূরণের জন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন মনে করছেন বোর্ড সভাপতি, ‘সিনিয়রদের কাউকে বাদ দিলে অনেক কথা উঠবে। তামিম, সাকিব, মুশফিক ও রিয়াদ যখন দলে থাকবে না তখনকার জন্য আমাদের নতুন খেলোয়াড় খোঁজা প্রয়োজন। দলের জন্য নতুন খেলোয়াড়দেও প্রস্তুত রাখতে হবে আমাদের।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ