ঢাকা, রোববার 22 July 2018, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে কুরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা যথাযথ করার পরামর্শ

স্টাফ রিপোর্টার : কুরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে করা হলে পরিবেশ বিপর্যয় রোধের পাশাপাশি জবাইকৃত পশুর ঊচ্ছিষ্ট সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। গতকাল শনিবার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন।
বৈঠকে পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে পবা’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী, নাসফের সাধারণ সম্পাদক তৈয়ব আলী, পবা’র সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, এম এ ওয়াহেদ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামন মজুমদার, সাউথ-ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক জোবাইদা গুলশান আরা, নাসফের প্রচার সম্পাদক ক্যামেলিয়া চৌধুরী, বিসিএইচআরডি-এর পরিচালক মো. মমতাজুর রহমান মোহন, পবা’র সদস্য দিনা খাদিজা, মোসতারি বেগম, কানিজ ফাতেমা, মো. আকবর, মো. ইব্রাহিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, প্রতি বছর সারা দেশে গরু, মহিষ, ভেড়া, খাসি ইত্যাদি প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ পশু ঈদে জবাই করা হয়। ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সর্বত্র ঈদের দিন বা পরের দিন যত্রতত্র বিপুল সংখ্যক কুরবানির পশু জবাই করা হয়। জবাইকৃত পশুর বর্জ্য-রক্ত, নাড়িভুড়ি, গোবর, হাড়, খুর, শিং ইত্যাদি উচ্ছিষ্ঠের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও জনসচেতনার অভাবে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়সহ জনস্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
বক্তারা কুরবানির জন্য নির্ধারিত স্থান থাকা ও জায়গাটি স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া, কুরবানির পশুটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পশুটি রোগমুক্ত ও কুরবানির উপযুক্ত কিনা সেটাও পরীক্ষা করা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ জনশক্তি দ্বারা পরিপূর্ণ ধর্মীয় নির্দেশনা অনুযায়ী পশু কোরবানি করা এবং বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা ও এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এ সব স্থানকে পশুর হাট হিসেবে ব্যবহার করলে রাস্তাঘাট অপরিষ্কার হয়ে যায়, যানজটের সৃষ্টি হয়, সে সব স্থান ব্যবহার করা যাবে না বলে তারা উল্লেখ করেন। পরিবেশসম্মত কুরবানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ২০১৫ সালের কুরবানির ঈদে ঢাকা মহানগরীর ৩৯৩টি, ২০১৬ সালে ঢাকা দক্ষিণে ৫৮৩টি এবং উত্তরে ৫৬৭টি এবং ২০১৭ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৬২৫টি এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৫৪৯টি স্থানকে কুরবানির জন্য নির্ধারিত করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ