ঢাকা, রোববার 22 July 2018, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিজ্ঞানী নাজমুল হুদার নতুন আবিষ্কার সৃষ্টি থেকেই শক্তির সৃষ্টি

স্টাফ রিপোর্টার : শক্তির নিত্যতার সূত্র না মেনে ‘সৃষ্টি থেকে শক্তির সৃষ্টি’ এ মতবাদ সত্য বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী নাজমুল হুদা। শক্তির সৃষ্টিকে পদার্থ বিজ্ঞানের এক অনবদ্য আবিষ্কার বলেও অভিহিত করেছেন তিনি। গতকাল শনিবার সকালে প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে শক্তির সৃষ্টির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন নাজমুল হুদা।
তিনি বলেন, সৃষ্টি থেকে শক্তির সৃষ্টির মূল কারণ ‘চাপ’ এবং চাপ প্রকৃতিতে অফুরন্ত। এ সময় তিনি পদার্থ বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ‘থিওরি অব রিলেটিভিটি’র ভর ও শক্তির ব্যাখ্যা এবং নিউটনের সূত্রের অসঙ্গতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমকালীন পদার্থবিদ্যার বইগুলো সেকেলে ও অপর্যাপ্ত তথ্য এবং এগুলোতে নিউটন আইনস্টাইনের কতিপয় গালগল্প দায়িত্বহীন ক্ষমতাবান বিজ্ঞান মহল ও একচোখা বিজ্ঞান ইতিহাস লেখক ও বৈজ্ঞানিক কৃতিত্ব প্রদানকারীদের হাত থেকে বিজ্ঞানকে রক্ষা করা প্রয়োজন।
এর আগে পেটেন্ট পেল বিজ্ঞানী নাজমুল হুদার সুপার এনার্জি সেভিং লাইট আবিষ্কার। ২০১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞানী নাজমুল হুদার আবেদনকৃত ‘মেইনস অপারেটেড কমপিটিটিভ সুপার এনার্জি সেভিং লাইটস’ বাংলাদেশ সরকারের পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিস পেটেন্ট দিয়েছে। তার আবিষ্কারের অন্যতম বিশেষত্ব হল এক নতুন ধরনের সুলভ, সহজ, অধিকতর শক্তি-দক্ষ ও ছোট আকারের পাওয়ার ড্রাইভার। সরাসরি মেইনস অপারেটেড (২২০ ভোল্ট এসি, ব্যাটারি ছাড়া) একেবারে প্রায় শক্তি খরচহীন নৈশবাতি থেকে শুরু করে সিএফএল এরও প্রায় দ্বিগুণ শক্তিদক্ষ বাল্ব। এমনকি ২/৪ ফুট টিউবসহ বিভিন্ন প্রকারের বাতিতে প্রয়োজনানুসারে উক্ত পাওয়ার ড্রাইভার ছাড়াও, এইচ.এফ পাওয়ার ড্রাইভারকে আরো শক্তি-দক্ষ ও ইউনিট সংখ্যা কমিয়ে সুলভ করা, সিএফএল-এর পাওয়ার ড্রাইভারকে শক্তি-দক্ষ করে ব্যবহার, এল.এফ ইউনিটকে শক্তি-দক্ষ, অধিক স্থায়ী ও সুলভ করেও ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে এসব বাতির স্থায়িত্বকাল বাড়াবার উপায় ও ব্যবস্থা। গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সাবেক ট্যারিফ কমিশনের উপদেষ্টা ও ইউএনডিপি কনসালট্যান্ট বিজ্ঞানী হুদা বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ