ঢাকা, রোববার 22 July 2018, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

যে ‘আমল করলে ফেরেশ্তাদের দু’আ পাওয়া যায়

মুহাম্মদ গোলাম রহমান : গুনাহ যেমন ঈমানের নূরকে নিভিয়ে দেয়, পক্ষান্তরে নেক ‘আমল গুণাহকে মিটিয়ে ঈমানী নূরকে প্রজ্জ্বলিত করে। অথচ আমরা উদাসীন। কিয়ামতের দিনক্ষণ যতই এগিয়ে আসছে, মানুষের পাপের পাল্লা ততই যেন ভারী হচ্ছে। তবে তাকওয়াশীল বান্দাগণ আল্লাহ তা’আলার দরবারে স্বীয় পাপ-মুক্তির প্রত্যাশায় সর্বাত্তম প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন- এ জন্য নেক ‘আমল করেন, অনুশোচনাসহ তাওবা-ইস্তিগফার করেন। এতদ্ব্যতীত এমন কিছু ‘আমল আছে! যে ‘আমল করলে আল্লাহ তা’আলার ফেরেশতাগণ ‘আমলকারীর জন্য দরবারে ইলাহীতে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ফেরেশতাগণ যেহেতু সম্পূর্ণ নিষ্পাপ, তাদের দু’আ বা প্রার্থনা কবুলের সম্ভাবনাও বেশি। কেনা, আল্লাহ তা’আলার আজ্ঞাবহ ফেরেশতাগণ তারই ইচ্ছয় কাম-ক্রোধ, লোভ-মোহ এবং যাবতীয় রিপুর তাড়না থেকে মুক্ত অবস্থার তাদের রবের ‘তাসবীহ-তাহমীদ’ পাঠ করেন এবং ঐ সকল মু’মিনদের জন্য আল্লাহ তা’আলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, যারা দৈনন্দিন ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কিছু ‘আমলের প্রতি যতœবান। আর এ সকল মু’মিনদের জন্য ফেরেশতাগণও আন্তরিক এবং যত্নবান।
আসুন! ক্ষণস্থায়ী জীবনের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই সে সব সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত হই। ভাগ্যবান তারাই, যারা ‘আমলের মাধ্যম মহান আল্লাহর করুণা ও ফেরেশতাদের দু’আ লাভে ধন্য।
কোন ‘আমল করলে ফেরেশতাগণ মু’মিনদের জন্য আল্লাহ তা’আলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, সে সম্পর্কে দলীল-প্রমাণসহ কিছু ‘আমল তুলে ধরা হলো।
১. ওযু অবস্থায় নিদ্রা যাপন : নিদ্রা যাপনের পূর্বে ওযু করা উত্তম অভ্যাসগুলোর একটি। ওযুর মাধ্যমে বাহ্যিক পবিত্রতার পাশাপাশি মানসিক প্রফুল্লতাও লাভ করা যায়। আর আল্লাহ তা’আলার ফেরেশতাগণ ঐ ব্যক্তির জন্য দরবারে ইলাহীতে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, যারা ওযু অবস্থায় নিদ্রা যাপন করেন। এ বিষয়ে ইবনু ‘আব্বাস (রাযিয়াল্লা-হু ‘আনহু) থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাযিয়াল্লা-হু ‘আনহু) থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইডি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের শরীরকে পবিত্র রাখো, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের পবিত্র করবেন। যে ব্যক্তি পবিত্রাবস্থায় (ওযু অবস্থায়) রাত যাপন করবে, অবশ্যই একজন ফেরেশতা তার সাথে রাত যাপন করবে, রাতে যখন সে পার্শ্ব পরিবর্তন করবে তখনই (ফেরেশতাগণ) আল্লাহ তা’আলার সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলবে, হে আল্লাহ! আপনার এ বান্দাকে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলবে, হে আল্লাহ! আপনার এ বান্দাকে ক্ষমা করুন। কেননা সে পবিত্রাবস্থায় (ওযূ অবস্থায়) ঘুমিয়েছে। মু’জামুল আওসাত হা. ৫০৮৭।
২. সালাতের জন্য অপেক্ষমান থাকা : সালাত মু’মিনদের দৈনন্দিন কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে জন্য সালাতের সময় উপস্থিত হলে মু’মিনগণ তা সম্পাদন করেন। কিন্তু শত ব্যবস্ততার মাঝেও সালাতের পূর্ব প্রস্তুতিস্বরূপ নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই ওযু করে সালাতের জন্য অপেক্ষমাণ থাকার মাধ্যমে এটা প্রতীয়মান হয় যে, সালাতের প্রতি মুসল্লীর অতি মনোযোগ, আবেগ ও ভালোবাসা বিদ্যমান। সে জন্য এ শ্রেণির মুসল্লীদের প্রতি ফেরেশতাদেরও মনোযোগ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে ক্ষমা ও দয়া প্রার্থনার মাধ্যমে।
আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লা-হু) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু  ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের মধ্যকার কোন ব্যক্তি যখন ওযু করে সালাতের অপেক্ষায় বসে থাকে, (এ অবস্থায়) সে যেন সালাতেই রত আছে। তার জন্য ফেরেশতাগণ দু’আ করতে থাকে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো, হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি দয়া করো। সহীহ মুসলিম- হা : ২৭৬/৬৪৯।
৩. সালাতের স্থানে বসে থাকা : সুনান আবূ দাউদে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু  ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সালাতে তাক্বীরাতুত তাহরীমা কতিপয় হালাল বিষয়কে যেমন- কথা বলা, স্থান ত্যাগকরাসহ সালাত বহির্ভূত যাবতীয় কাজকর্ম) হারাম করে দেয়; আর ঐ হারাম বিষয়কে পুনরায় হালাল করে দেয় সালাম।” অর্থাৎ সালাম ফিরানোর পর মুসাল্লা (সালাতের স্থান) ত্যাগে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে সালামের পর মসাল্লায় বসে তাসবীহ পাঠ অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি কাজ। তাছাড়া সালাম ফিরানোর সাথে সাথে মুসাল্লা ত্যাগের মাধ্যমে এটা প্রতীয়মান হয় যে, সালাতের প্রতি মুসল্লীর দায়সারা মনোভাব। জরুরী মুহূর্তের বিষয়টি ভিন্ন। সালাম ফিরানোর পর মুসাল্লায় (সালাতের স্থানে) অবস্থান করা যেহেতু সালাতের অংশ নয়, সেজন্য এর মর্যাদাও ভিন্ন। অর্থাৎ সালাতের স্থানে অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য ফেরেশতাগণ দু’আ করে থাকেন। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিয়াল্লা-হু ‘আনহু) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু  ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ফেরেশতাগণ তোমাদের প্রত্যেকের জন্য ততক্ষণ দু’আ করতে থাকেন, যতক্ষণ সে তার সালাত আদায়ের স্থানে অবস্থান করে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না তার ওযু ভঙ্গ হয়।   ফেরেশতাগণ) বলেন, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও; হে আল্লাহ তুমি তার প্রতি সদয় হও। বুখারী- হা: ৪৪৫; মুসলিম- হা: ৬৪৯; আত তিরমিযী- হা: ২১৫; আন নাসায়ী- হা: ৭৩৩, আবূ দাউদ- হা: ৪৬৯।
৪. সিয়ামের নিয়্যাতে সাহারী খাওয়া : সাহারী বরকতপূর্ণ এক খাদ্য। সাহারী ভক্ষণের শেষ সময়ের পর হতে সিয়াম শুরু হয় এবং ইফতার গ্রহণের মধ্য দিয়ে সওম পূর্ণতা পায়। তাছাড়া সিয়াম আল্লাহ তা’আলার নৈকট্য লাভের বিশেষ এক মাধ্যম। সাহারী গ্রহণকারীর জন্য বিশেষ মর্যাদা হলোÑ ফেরেশতাগণ তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিয়াল্লা-হু ‘আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু  ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সাহারী ভক্ষণকারীদের প্রতি দয়া করেন এবং ফেরেশতাগণ তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন। সহীহ ইবনু হিব্বান- হা: ৩৪৬৭, ৮/২৪৬, শায়খ আলবানী এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ আত তারগীব ওয়াত তারহীব- হা: ১০৬৬।
৫. মুসলিমদের জন্য দু’আ ও ক্ষমা প্রার্থনা : দুনিয়ার মোহ আমাদেরকে এমনভাবে প্রভাবিত কর রেখেছে যে, নিভৃতে-নির্জনে আল্লাহ তা’আলার কাছে নিজের জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করার সময়টাও যেন আমাদের নেই। আর অন্যের জন্য প্রার্থনা! সে তো সুদূর পরাহত। অথচ অন্য মুসলিমের জন্য দু’আ ও ক্ষমা প্রার্থনা করা কত যে মূল্যবান একটি ‘আমল তা মূল্যয়ন করার ফুরসতও আমাদের নেই। আল্লাহ তা’আলা বলেন : “কাজেই জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোন ইলাহ নেই, ক্ষমা প্রার্থনা করো তোমার এবং মু’মিন ও মু’মিনদের ভুল-ত্রুটির জন্য, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের গতিবিধি ও অবস্থান সম্পর্কে সম্যক অবগত।” সূরা মুহাম্মাদ ৪৭ : ১৯।
এ সম্পর্কে উম্মু দারদা বলেন, আমাকে আমার সাইয়েদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : কোন মুসলিম যদি তার অনুপস্থিত (মুসলিম) ভাইয়ের জন্য দু’আ করে অথবা ক্ষমা চায়Ñ তবে তা কবুল করা হয় এবং তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত থাকে। যখনই কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের কল্যাণার্থে দু’আ করে তখন সে নিযুক্ত ফেরেশতা বলে, আমীন। অর্থাৎ- হে আল্লাহ! কবুল করুন এবং তোমার জন্য অনরূপ (অর্থাৎ তোমার ভাইয়ের জন্য যা চাইলে আল্লাহ তা’আলা তোমাকেও তা-ই দান করুন)। সহীহ মুসলিম- হা: ৮৮ (২৭৩৩), ৪/২০৯৪।
৬. উত্তম শিক্ষা প্রদান : ফেরেশতাগণ তাদের জন্যও দু’আ করেন, যারা মানুষকে কল্যাণকর ও ভাল কিছু শিক্ষা দিয়ে থাকেন। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে : নিশ্চয় মানুষকে ভাল কথা শিক্ষা দানকারীর প্রতি আল্লাহ তা’আলা দয়া করে থাকেন এবং ফেরেশ্তাগণ, আসমান-জমিনের অধিবাসীগণ এমনকি গর্তের পিপীলিকা ও পানির মাছেরাও তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকে। সুনান আত তিরমিযী- হা: ২৮২৫, ৭/৩৭৯-৩৮০, শায়খ আলাবানী এ হাদীসটি সহীহ বলেছেন, দেখুন : সহীহ সুনানুত তিরমিযী- ২/৩৪৩।
৭. রোগী দর্শন : আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া সামাজিক দায়িত্বের অংশ। সামাজিক জীব হিসেবে আমরা অনেকেই এ দায়িত্ব পালন করে থাকি। কিন্তু সামাজিক দায়িত্ব পালনে দেহের উপস্থিতি ঘটলেও সব সময় অন্তরের উপস্থিতি ঘটে না। কিন্তু উদ্দেশ্য যদি আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি হয়, তবে সেখানে আন্তরিক উপস্থিতি ঘটবে ইনশা-আল্লাহ; যার মধ্যে থাকবে প্রভূত কল্যাণ। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে : ‘আলী (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, যে মুসলিম তার অসুস্থ কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফেরেশতা প্রেরণ করেন, দিনের যে সময় দেখতে যাবে সে সময় থেকে দিনের শেষ পর্যন্ত (ফেরেশতাগণ) তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে এবং রাতের যে সময় দেখতে যায়, সে সময় থেকে রাতের শেষ পর্যন্ত (ফেরেশতাগণ) তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। সুনান আবূ দাউদ- মা. শা. হা. ৩০৯৮।
৮. মু’মিন ও তাদের সৎ আত্মীয়দের জন্য : আল্লাহ তা’আলার আরশ-বহনকারী ও তাদের পার্শ্ববতী ফেরেশতারা মু’মিনদের জন্য দু’আ করে থাকে। সেই ফেরেশতাদের সম্পর্কে ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লা-হ) বলেন, তারা হলেন উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ও সম্মানিত ফেরেশতাম-লী। তাফসীরে কুরতুবী- ১৫/২৯৪, তাফসীরে বায়জাবী-৪/৩৩৫। আল্লাহ তা’আলা বলেন : “যারা আরশ বহন করে আছে, আর যারা আছে তার চারপাশে, তারা প্রশংসাসহ তার প্রতিপালকের মাহাত্ম ঘোষণা করে এবং তাঁর প্রতি ঈমান পোষণ করে আর মু’মিনদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেÑ হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তোমার রহমত ও জ্ঞান দিয়ে সব কিছুকে বেষ্টন করে রেখেছ, কাজেই যারা তাওবাহ করে ও তোমার পথ অনুসরণ করে তুমি তাদেকে ক্ষমা করে দাও, আর জাহান্নামের ‘আযাব থেকে তাদেরকে রক্ষা করো। হে আমাদের প্রতিপালক!
তুমি তাদেরকে আর তাদের পিতৃপুরুষ, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানাদির মধ্যে যারা সৎকাজ করেছে তাদেরকেও চিরস্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করাও যার ওয়া’াদা তুমি তাদেরকে দিয়েছ; তুমি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান। আর তুমি তাদেরকে রক্ষা করো সকলপ্রকার মন্দ থেকে। সেদিন তুমি যাকে সমস্ত অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবে, তার প্রতি তো দয়াই করলে। এটাই হলো চুড়ান্ত সাফল্য।” সূরা আল মু’মিন ৪০ : ৭-৯।
সীমাহীন চাওয়া-পাওয়ার নেশায়, ব্যস্ততার মেকি অজুহাতে আমাদের প্রতিটি দিন অতিবাহিত হচ্ছে। দুনিয়ার বুকে স্থায়ী আবাস গড়ার উন্মাদনা ক’দিনের জীবনকে অশান্ত করে রেখেছে। অথচ জীবনপঞ্জিকার শেষ মুহূর্তটি যে দরজায় কড়া নাড়ছে সে দিকে খেয়াল নেই। হয়তো এখনই হিসাবের খাতা বন্ধ করে মালাকুল মউত-এর সাথে যেতে হবে বরযখের দুনিয়ায়।
শেষ বিদায়ের আগে আমার ইস্তিগফার কি দরবারে ইলাহীতে গৃহীত হয়েছে? নিষ্পাপ ফেরেশতাগণ কি একবারের জন্যও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে আমার জন্য মাগফিরাত প্রার্থনা করছে? এটাই হোক জীবন সায়াহ্নের শেষ জিজ্ঞাসা এবং সে মোতাবেক চলা। আল্লাহ তা’আলা আমাদের ঐসব নেক ‘আমল করার তাওফীক্ব দিন -আমীন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ