ঢাকা, রোববার 22 July 2018, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কুষ্টিয়ার খোকসায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প’ ‘যার জমি আছে ঘর নাই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ কর্মসূচির আওতায় কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে খোকসা উপজেলায় এ  কর্মসূচির আওতায় ২৪টি, ৯২টি, ১২২টি ও সর্বশেষে ১২০টি ঘর নির্মাণের বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্ত্বাবধানে ‘পিআইসি’ দ্বারা উপজেলা প্রশাসনের সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এ ঘরগুলো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার কথা। ২৪টি ও ৯২টি ঘর নির্মাণের কাজ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরে আলম। কিন্তু ১২২টি ও ১২০টি ঘর নির্মাণ কাজের দায়িত্ব দেয়া হয় উপজেলার বেতবাড়ীয়া গ্রামের নাসির উদ্দিনকে। নাসির উদ্দিন তার ভাই মহসিনের ইটের ভাটায় ঘর নির্মাণের পিলার তৈরীর কাজ শুরু করেন। আর এ পিলার নিম্নমানের বালি, রডসহ রাবিশ দিয়ে তৈরী করা হয়। যার কারণে পিলারগুলি ভ্যানে করে উপকারভোগিদের বাড়ী নিতেই পথের মাঝে তা ভেঙ্গে যায়। কিন্তু ঐ নিম্নমানের পিলারগুলো দিয়ে এখনো ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ঘরে ব্যবহার করা হচ্ছে সবচেয়ে নিম্নমানের ইট।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা বানু মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকার কারণে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরে আলম।
খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল আখতার বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিএনপিপন্থী লোকজন দিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ করাচ্ছে। এ কাজ নাসির উদ্দিন নামে একজনের দিয়ে করাচ্ছে। তারাতো সরকারের দুর্নাম করার জন্য নিম্নমানের কাজ করাচ্ছে। দেখা যাবে ৬ মাসের মধ্যে এ ঘর ভেঙ্গে যাবে। ১২২টা ঘর বাদে অন্য সব ঘরের মালিকদের কাছ থেকে পাঁচ, দশ এমনকি পনের হাজার টাকাও নেয়া হয়েছে।
উপজেলা পিআইসি কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরে আলম বলেন, নতুন করে উপজেলায় পিলার তৈরী করছি। আগের পিলারগুলোর ওখানে এ পিলার রিপ্লেস করবো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ