ঢাকা, সোমবার 23 July 2018, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মাহমুদুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। গতকাল রোববার বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন। তারা বলেন, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়। নেতৃবৃন্দ তার সফরসঙ্গীসহ গতকাল কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্তৃক মারধর করে রক্তাক্ত করা এবং তার গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে মাহমুদুর রহমান ও তার সফর সঙ্গীদের নিরাপদে ঢাকায় ফেরার ব্যবস্থা করার দাবি জানান। একইসাথে বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিএফইউজে-ডিইউজে আজ সোমবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ৫০০ ধারার একটি মানহানির মামলায় জামিনের জন্য গতকাল কুষ্টিয়া আদালতে হাজির হয়েছিলেন। বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম এম মোর্শেদের আদালতে মামলার শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন মঞ্জুর করেন এবং আমার দেশ সম্পাদককে পুলিশী নিরাপত্তায় নিরাপদে ঢাকা ফেরার ব্যবস্থা করার আদেশ দেন। এ অবস্থায় আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ঢাকায় ফেরার প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা তার বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে দিতে আদালত এলাকায় প্রবেশ করে। তারা তাকে আক্রমণের অপচেষ্টা চালায়। এ পরিস্থিতিতে মাহমুদুর রহমান সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম এম মোর্শেদের আদেশ নিয়ে তারই আদালতের আশ্রয় নেন। কিন্তু বিক্ষোভকারী ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডাররা আদালত এলাকা ঘেরাও করে রাখে। কয়েক ঘন্টা কোর্টে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার পর কোর্ট পুলিশ তাকে ঢাকায় ফেরার কথা বলে বের করে নিয়ে এলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডাররা তার ওপর হামলা চালিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দিয়ে সারা শরীর রক্তাক্ত করে দেয়। তার সফরসঙ্গী বিএফইউজে মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ারদের নেতা ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কৃষিবিদ নেতা শামীমুর রহমান শামীমসহ সফর সঙ্গীরাও মারধরের শিকার হন। তারা চিকিৎসারও সুযোগ পাননি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ