ঢাকা, সোমবার 23 July 2018, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এই মামলা রাজনৈতিক ইচ্ছার প্রতিফলন

স্টাফ রিপোর্টার: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদ-প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিল শুনানিতে যুক্তি দেখিয়ে আদালতকে বলেন, এই মামলা (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট) রাজনৈতিক ইচ্ছার প্রতিফলন। এক সময় রাজনীতিতে মাইনাস টু থিওরি ছিলো। এখন মাইনাস ওয়ান থিওরিতে রাজনীতি হচ্ছে। ২০০৮ সালের অন্যান্য (সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের আপিল) মামলার আপিল এখনও হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়নি। অথচ এ মামলার (চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল করা হয়) শুনানি শুরু হয়েছে।
গতকাল রোববার আপিল শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এ বক্তব্য দেন। আপিলের ওপর ষষ্ঠ দিনের শুনানি শেষে গতকাল রোববার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটির শুনানি মুলতবির আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান ও এ জে মোহাম্মদ আলী। তাদের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা মামলার পেপারবুক থেকে সাক্ষীদের জবানবন্দীর অংশ আদালতকে পড়ে শোনান। তারা খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে আদালতকে বলেন, এই মামলা (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট) রাজনৈতিক ইচ্ছার প্রতিফলন। এক সময় রাজনীতিতে মাইনাস টু থিওরি ছিলো। এখন মাইনাস ওয়ান থিওরিতে রাজনীতি হচ্ছে। ২০০৮ সালের অন্যান্য (সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের আপিল) মামলার আপিল এখনও হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়নি। অথচ এ মামলার (চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল করা হয়) শুনানি শুরু হয়েছে।
এরপর আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত আজ সোমবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম মুলতবি রাখার আদেশ দেন।
এর আগে গত ১২, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও রবিবার (২২ জুলাই) মোট ছয়দিন খালেদা জিয়ার আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি হয়। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদ-প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে আপিলসহ মোট চারটি আবেদনের ওপর শুনানি হবে। খালেদা জিয়ার আপিল ছাড়াও এ মামলা শুনানির অপেক্ষায় থাকা আরও তিনটি আবেদন হলো- খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা দুদকের আবেদন (রিভিশন), একই মামলায় ১০ বছরের কারাদ-প্রাপ্ত দুই আসামি কাজী সলিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমদের করা পৃথক দুটি আপিল।
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদ-াদেশ দেন বিচারিক আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই আছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ