ঢাকা, বুধবার 25 July 2018,১০ শ্রাবণ ১৪২৫, ১১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দিনে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছাড়া গাজা উপত্যকা

২৪ জুলাই, হারেৎজ : গাজার একমাত্র বাণিজ্যিক ক্রসিংয়ের মাধ্যমে জ্বালানির প্রবাহ বন্ধ থাকায় অবরুদ্ধ উপত্যকার একমাত্র বিদ্যুৎ কোম্পানিটি তার বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। এতে দুর্ভোগের মাত্রা আরো বেড়েছে গাজাবাসীদের।

গত সোমবার এক ঘোষণায় বিদ্যুৎ কোম্পানিটি জানায়, তার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপত্যকার বিদ্যুৎ সরবরাহ আরো হ্রাস পাবে।

একারণে গাজাবাসীদের এখন দিনে ১৬ ঘণ্টার পরিবর্তে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে হচ্ছে।

এদিকে, ইসরাইল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত একটি পাওয়ার লাইন প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

গাজার বিদ্যুৎ বিতরণ অধিদফতরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা গাজার বাসিন্দাদের প্রতিদিন ঘণ্টা ন্যূনতম পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার চেষ্টা করছি, তবে এটিও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।’

বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ কেন- তা নিয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি গাজার এনার্জি কর্তৃপক্ষ। তবে, একটি সূত্রের বরাতে ইসরাইলী সংবাদমাধ্যম জানায়, ডিজেল সঙ্কটের কারণে এটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় প্রতিদিন প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু থাকা অবস্থায় মাত্র ১২০ মেগাওয়াট সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া ইসরাইল থেকে ১২০ মেগাওয়াট ও মিশর থেকে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত আমদানির মাধ্যমে বিশাল ঘাটতির কিছুটা পুষিয়ে নেয়া হয়।

ইসরাইল গত সপ্তাহে গাজার একমাত্র বাণিজ্যিক ক্রসিংয়ের মাধ্যমে জ্বালানির প্রবাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সীমিত আকারের জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ ছাড়া অন্য কোনো পণ্য ওই ক্রসিং দিয়ে গাজায় ঢুকতে দেয়নি ইসরাইল।

রবিবার ইসরাইলী প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অবিগদর লিবারম্যান জানিয়েছেন, ইসরাইল-গাজা সীমান্তে নতুন করে কোনো সহিংসতা না ঘটলে খুব শিগগিরই ক্রসিংটি পুনরায় খুলে দেয়া হবে।

সপ্তাহজুড়ে তীব্র উত্তেজনার পর ইসরাইল ও হামাস গাজা উপত্যকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সম্মত হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ