ঢাকা, বুধবার 25 July 2018,১০ শ্রাবণ ১৪২৫, ১১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

ভাষাবিজ্ঞানী, জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ১১ টায় আলোচনা সভা চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র (সিএইচআরসি)’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ-দীনের সভাপতিত্বে এই সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধা অমরকান্তি দত্ত, প্রাবন্ধিক একেএম আবু ইউসুফ, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সাইফুদ্দিন আহমদ, কবি বাকের আলম, মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার, বাহাদুর মোঃ সাগর, নয়ন বড়ুয়া, হ্যাপি দাশ, জয়ন্ত লাল আচার্য, মুরিদুল আলম, তৌহিদ নেওয়াজ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেছেন, জ্ঞানতাপস, ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র মাতৃভাষা বাংলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র প্রজন্ম থেকে শুরু করে যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে বাংলা ভাষাভাষী মানুষ থাকবে ততদিন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র এ অবদান আমাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র অবদান স্মরণীয়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তৎসময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্থান পরিদর্শন ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বিষয়ক ব্যক্তির সাথে আলোচনা করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি কামনা করে রিপোর্ট প্রদান করেছিলেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তৎকালীন বাংলাদেশের যশোর জিলা স্কুলের শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীনেশচন্দ্র সেনের তত্ত্বাবধানে শরৎকুমার লাহিড়ী গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত ও বাংলা বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। ঘরোয়া পরিবেশে উর্দু, ফারসি ও আরবি এবং স্কুলে সংস্কৃত শিখেছিলেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ উর্দুকে বাদ দিয়ে প্রথম বাংলা রাষ্ট্রভাষা করার যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেন। তাঁর রচনার মধ্যে আছে সিন্দবান সওদাগরের গল্প, ভাষা ও সাহিত্য, বাঙ্গালা ব্যাকরণ, দীওয়ানে হাফিজ, রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম, পদ্মাবতী, বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত প্রভৃতি। ‘জ্ঞানতাপস’ ড. শহীদুল্লাহ ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই ইন্তেকাল করেন।
-সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ