ঢাকা, রোববার 23 September 2018, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ফরিদপুরে রেলের জমিতে আ’লীগ নেতার পাকা স্থাপনা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে রেলের জমি দখল করে অবৈধভাবে পাকা স্থপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় এমপির কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত ফারুক উপজেলার সাতৈর স্টেশনের উত্তর পাশের প্রায় এক একর জমি ভরাট করে এ স্থাপনা নির্মাণ করছেন।

জমি দখলের কাজে ফারুকের সহযোগী হিসেবে আছেন পাইকহাটি গ্রামের রবীন্দ্র নাথ সাহা, ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান, শুকুর মল্লিক ও বিল্লাল মিয়া।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেএল ১২৫/১৩১ নং ঘোষপুর মৌজার ৫৭৯৩ ও ৫১৫৪ নং দাগের প্রায় এক একর জমি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ শুরু হয়েছে।

এখানকার এক একর ৪৪ শতাংশ জমি কৃষি ও মাছ চাষের জন্য রেলের থেকে পাইকহাটি গ্রামের কাজী আব্দুর রাজ্জাক লিজ নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর তার কাছ থেকে জমি নিয়ে নেন চেয়ারম্যান ফারুক ও তার সহযোগীরা।

লিজ গ্রহীতা কাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘চেয়ারম্যান ক্ষমতাধর ব্যক্তি। আগে ২১ শতাংশ জমি জোর করে দখল করে নিয়েছেন। তাই কিছু খরচপাতি নিয়ে আরো জমি দিয়ে দিয়েছি। বাকি জমিতে আমার একটি স’মিল আছে।’

তবে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেন বৈধভাবে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন দাবি করে বলেন, ‘এখানে বাজার করার ইচ্ছা আছে। তাই জমির লিজ গ্রহীতার কাছ থেকে আমরা লিখে নিয়েছি। বৈধভাবেই ঘর নির্মাণ করছি।’

কৃষি ও মাছ চাষের জন্য শ্রেণিভুক্ত জমিতে পাকা ঘর নির্মাণ করা যায় কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তারা বাণিজ্যিকভাবে জমির লিজ পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। তবে এ সংক্রান্ত কোনো কাগজ তিনি দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে রেলওয়ে পাকশি কার্যালয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ইউনুছ আলী বলেন, ‘রেলের পুকুর বা ডোবা ভরাট করার কোনো নিয়ম নেই। কোনো স্থাপনাও নির্মাণ করা যাবে না। লিজ গ্রহীতা দখল হস্তান্তর করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে কার্যালয় থেকে তাদের নামে কাগজপত্র করে নিতে হবে।’

বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ