ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 July 2018,১১ শ্রাবণ ১৪২৫, ১২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মেয়র নির্বাচন-২০১৮

রাজশাহী : গতকাল বুধবার রাজশাহী সিটি মেয়র নির্বাচনে (বামে) বিএনপির বুলবুল ও (ডানে) আ’লীগের লিটনের জনসংযোগ -সংগ্রাম

আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ
পুলিশের ভূমিকা পালন
করছে -বুলবুল
রাজশাহী অফিস : রাজশাহী সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ পুলিশের ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেছেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে তারা ততই আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে।
পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র উঁচিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মারধর করছে এবং পুলিশকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বুলবুল। গতকাল বুধবার দুপুরে মহানগরীর ১৩ ও ২০নং ওয়ার্ডে গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন তিনি। মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, মঙ্গলবার মহানগরীর হাতেম খান এলাকায় বিনা কারণে ছাত্রদলের নেতাদের মারধর করে বিএনপি অফিস ভেঙে দিয়েছে ছাত্রলীগের নামধারী সন্ত্রাসীরা। সেখানেও পুলিশ তাদের কথামতো কাজ করেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচন কোনভাবেই সুষ্ঠু হবে না। বুলবুল অভিযোগ করে বলেন, রাজশাহীতে সরকার দলীয় প্রার্থীর নির্দেশে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও তাদের অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা বিএনপির গণসংযোগ ও পাড়া মহল্লায় নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন এবং নারী কর্মীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। এ নিয়ে রাজশাহী নির্বাচন কমিশনে প্রতিনিয়ত অভিযোগ করলেও তারা নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। বিএনপি একটি সু-সংগঠিত, সু-শৃংখল ও উন্নয়নমুখী দল। বিএনপির বর্তমান অবস্থা দেখে সরকার দলীয় প্রার্থী এসব কা- করছেন। গণসংযোগকালে বুলবুলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপি মহানগর সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শফিকুল হক মিলন প্রমুখ।

নির্বাচনে সেনাবাহিনী
মোতায়নের পরিবেশ
সৃষ্টি হয়নি -লিটন
রাজশাহী অফিস : রাজশাহী সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, রাজশাহীতে বোমা হামলার একটি ঘটনা ছাড়া অন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আর বোমা হামলার ঘটনাটি বিএনপি নিজেরাই করেছে, এটির প্রমাণ ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেয়েছেন।
রাজশাহীতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি যে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়নের প্রয়োজন আছে। তারপরও নির্বাচন কমিশন যদি প্রয়োজন মনে করেন, সেটি তাদের এখতিয়ার। আমাদের বলার কিছু নাই। মঙ্গলবার সকালে প্রচার মিছিল শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। লিটন বলেন, সরকার, নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি অপচেষ্টায় লিপ্ত। এটি ইতোমধ্যে প্রমাণিতও হয়েছে। এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে নৌকা প্রতীকের প্রচার মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মনিচত্বর গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর, খুলনা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র যথাক্রমে তালুকদার আব্দুল খালেক ও জাঙ্গাহীর আলম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন, রাজশাহী মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এরপর নগরীর শ্রীরামপুর, সুইপার কলোনী, চন্ডীপুর ও ঘোষপাড়া, বিএন্ডবি মোড়সহ আশপাশের এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করে নৌকায় ভোট চান খায়রুজ্জামান লিটন। শ্রীরামপুর এলাকায় পথসভায় খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বিএনপি অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি নাকি নদীর ধারের বসতি উচ্ছেদ করে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তুলবো। এটি বিএনপির মিথ্যাচার ও অপপ্রচার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ