ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 July 2018,১১ শ্রাবণ ১৪২৫, ১২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় বিআইডব্লিটিএ-এর রকেট ঘাট সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

খুলনা অফিস : খুলনার রেলস্টেশন সংলগ্ন ভৈরব তীরে অবস্থিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিটিএ) রকেট ঘাট সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই অর্থ বছরে দুই দফায় ঘাটটি সংস্কারে অন্তত ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হলেও পুরনো মালামাল ব্যবহার ও ঘঁষা-মাজা করেই সকল কাজ শেষ করা হচ্ছে। এছাড়া ওই ঘাটে আইচগাতি-১ নামের একটি জাহাজ ধাক্কা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করলেও কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হলো সে বিষয়টিও কারও কাছে স্পষ্ট না। ফলে সবকিছু মিলে সংস্থাটিতে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, নদী পথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়তের জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের খুলনা টার্মিনাল ঘাটের লঞ্চে যাত্রী উঠা-নামার জন্য রকেট ঘাট ব্যবহৃত হয়। সম্প্রতি ঘাটটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫ ও ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই দফায় সংস্কার কাজ শুরু হয়। কিন্তু চলমান সংস্কার কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হচ্ছে। পুরানো স্পার্ট ও ডেকিং-এর কাঠ ব্যবহার ও গ্যাংওয়ে ঘঁষা-মাজা করেই সকল কাজ শেষ করা হচ্ছে। এছাড়া ওই ঘাটে আইচগাতি-১ নামের একটি জাহাজ ধাক্কা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করলেও কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হলো সেটিও কারও কাছে স্পষ্ট না।
ঘাট ইজারাদার রুবেলসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ঘাটটি সংস্কার করা হয়। এরপর মংলা থেকে আসা একটি জাহাজ ওই ঘাটে আঘাত করে। এতে ঘাটটি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার কারণে বিআইডব্লিটিএ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ওই জাহাজটির আটকে রাখে। পরে কর্তৃপক্ষের সাথে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অপোষ করে। তারা আরও জানান, এ ঘটনার পর ফের একই অর্থ বছরে আরও ২০ লাখ টাকার অর্থ বরাদ্দ হয়। যার কাজ ২৭ জুন শুরু হয়। বর্তমান চলমান অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু কাজের মান খুব নিম্ন। পুরনো স্পার্ট রঙ করে বসানো হচ্ছে। ডেকিং-এর কাঠ অপরিবর্তিত রয়েছে। গ্যাংওয়ের বাদ দেয়া কোন মালামাল স্টোরে জমা দেয়া হয়নি। ফলে ঘাটটির স্থায়ীত্ব নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজিবুল হক বলেন, এগুলো সব ফালতু অভিযোগ। এর কোন সত্যতা নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ