ঢাকা, শুক্রবার 27 July 2018,১২ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৩ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কবিতা

চা-বাগানের কাছে

নয়ন আহমেদ

 

ঝিমিয়ে পড়ো না, চা-বাগান।ভোর নামছে একশোটি রঙে।

সূর্য ছুঁয়েছে ব্যস্ত হাত।

শ্রমজীবীদের কোলাহলে স্তব্ধতা ভাঙছে।

তাপে ও উত্তাপে আবহাওয়াবার্তা স্বাভাবিক আছে।

গৃহমুখী অভিপ্রায় আবাসন খুঁজছে।

প্রিয় মগ্নতা, থেমে যেও না।

 

ঝিমিয়ে পড়ো না, ছায়াভালোবাসা চা-বাগান।

এককাপ প্রণোদনা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে।

জড়ত্বের কোল থেকে আশ্রয় চাইছে শিশু,

যুবক, যুদ্ধাহত তরুণ, যাবতীয় প্রেম।

কারখানা জাগছে নতুন করে।

সঙ্গে নিয়ে এসেছে শুভ্র পার্থিবতা।

দ্যাখো তার ঘরবাড়ি, আশ্রয়,আহবান।

প্রিয় স্থিরতা, হৃদয়ের লেনদেন বন্ধ করো না। 

 

ঝিমিয়ে পড়ো না নিবিড় চা-বাগান।

তোমার পুষ্পিত হৃৎকম্পন থামিয়ে দিও না।

 

নির্মাণশিল্পী

রহমান মাজিদ

 

হে আমার সম্প্রসারিত স্বপ্নগুলো

তোমার প্রয়োজনীয় পরিপুষ্টির জন্য

আমি রাত্রের শরীর ছেঁকে 

তুলে এনেছি কত শব্দ ও ধ্বনি 

ভাষার শরীরে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে 

প্রয়োজনীয় কাটাকুটি সেরে নির্মাণ করেছি 

একটি সুস্থ সবল তরতাজা কবিতা

অস্ত্রোপচারকৃত ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিয়েছি

এমন জোরালো এন্টিসেপটিক

যাতে ক্যান্সারের জীবাণু উৎপাটিত হয়ে 

আমার স্বপ্নগুলোর অকাল মৃত্যুর কোন সম্ভাবনা না থাকে

অবসরের মগজ থেকে ভাবনার দানাগুলো কেড়ে এনে

গেঁথেছি যে কথার মালা 

তাতে যথাযথ কুরামিন প্রয়োগে 

এমন যৌবনদ্বীপ্ত করেছি

যাতে নিভৃতে কাঁদতে না হয় 

আমার কবিতার নির্ঘাত অপমৃত্যুতে

পৃথিবীর বদ্বীপগুলো থেকে আহরিত ক্লোরোফিল

কবিতার মাংসপেশিতে যে কৌশলে পুশ করেছি 

তাতে কিয়ামত অবধি চলবে কবিতার রাজত্ব

আর আমি হবো সেই রাজ্যের 

একজন অমর নির্মাণ শিল্পী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ