ঢাকা, শুক্রবার 27 July 2018,১২ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৩ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পানিবদ্ধতা ও ভাংগা গর্তযুক্ত রাস্তায় চলাচলে চট্টগ্রাম মহানগরবাসীর নাভিশ্বাস 

টানা বর্ষণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের বেহাল দশা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় জনসাধারণ। দেখার কেউ নেই -সংগ্রাম

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ শেখ শফিউল আজম বলেছেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও পানিবদ্ধতা নিরসনে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক হয়ে একের পর এক বরাদ্দ দেয়া সত্ত্বেও অপরিকল্পিত নগরায়ন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্বিমুখী শাসনের যাঁতাকলে পড়ে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পানিবদ্ধতা নিরসন ভেস্তে যেতে চলেছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বছরের পর বছর চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়া আগ্রাবাদ এক্সেস রোড ও পোর্ট কানেকটিং রোড সংস্কারে জাইকা’র অর্থায়নে সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্ষা মওসুম আসলেই উন্নয়ন সংস্থাগুলো নগরীর খাল-ড্রেন ও নালা, নর্দমাগুলো পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়ার কারণে নগরবাসী নাকাল হয়ে পড়ে। অথচ বর্ষা আসার আগে যদি খাল-ড্রেন ও নালা, নর্দমাগুলো পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়া হতো তাহলে নগরবাসীকে কখনো এ দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

 তিনি অনতিবিলম্বে পানিবদ্ধতা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প বাস্তবায়ন অতি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, সামান্য বৃষ্টিতে নগরীর রাস্তা-ঘাটের দুরাবস্থা ও ছোট-বড় ও মাঝারি গর্তের কারণে সড়কগুলো চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। অথচ রাস্তা-ঘাট গুলো সংস্কার ও পুনঃনির্মাণের সময় যদি একটু দেখভাল করা হয় তাহলে রাস্তা গুলোর এ দুরবস্থা কখনো হতো না। তিনি রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ চলাকালে কাজগুলো সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করার জন্য মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।

তিনি ২৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর আন্দরকিল্লাস্থ রেডক্রিসেন্ট মিলনায়তনে বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন। সংগঠনের মহাসচিব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর বলেন, চট্টগ্রামের স্বাধীনতার স্মৃতি রক্ষায় একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এবং তা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার উদ্যোগী হওয়ায় সরকারকে চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে চট্টগ্রাম জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ স্থানটি নির্ধারণের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামে যেখান থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল বন্দর ২ নং ও ৩ নং জেটি গেইটের মধ্যখানে নৌবাহিনী ফ্লিট ক্লাব’র সম্মুখে সোয়াত জাহাজ অবরোধকালে সংঘঠিত সম্মুখযুদ্ধে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ জনগণ শহীদ হওয়া স্থানে বন্দরের পরিত্যাক্ত জায়গায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান। বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ শেখ শফিউল আজম’র সভাপত্বিতে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর, সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান লায়লা ইব্রাহিম বানু , ভাইস-চেয়ারম্যান ¡ মোহাম্মদ উল্লাহ ,অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী, যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ নুরুল আলম, সাংগঠনিক সচিব এডভোকেট ফয়েজুর রহমান, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার আজম, বিশিষ্ট প্রবীণ শ্রমিক নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম, কে, এম নুরুল ইসলাম হুলাইনি, আব্দুস সবুর খান, মোহাম্মদ হাসান সিকদার, এম গোফরান চৌধুরী প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ