ঢাকা, শনিবার 28 July 2018,১৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পেয়াঁজের কেজি ৬০ টাকা টার্গেট কুরবানি

স্টাফ রিপোর্টার: নিয়ন্ত্রণে নেই নিত্যপণ্যের বাজার। ব্যবসায়ীরা একেক সময় একেকটি পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত মুনাফা হাতিয়ে নেয়। হঠাৎ করে কাচাঁ মরিচের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। দাম এখনো স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। কাঁচা মরিচের ঝাঁজের সাথে এবার যুক্ত হয়েছে পেয়াঁজ। আগামী কুরবানির ঈদকে টার্গেট করে ব্যবসায়ীরা অস্বাভাবিক হারে পেয়াঁজের দাম বাড়াচ্ছে। দেশী পেয়াঁজের দাম ৬০ টাকা কেজিতে পৌঁেছছে। এর আগে পেয়াঁজের দাম কমানোর জন্য র‌্যাব-পুলিশের অভিযান চালানো হয়েছিল। এবারও এ ধরনের অভিযান না চালালে কুরবানির আগে দাম কমবে না বলে মনে করছে খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা। অপরদিকে বৃদ্ধি পাওয়া কাচাঁ মরিচ এখনো ১২০-১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে বেড়েছে সবজির দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে বেশকিছু সবজির দাম বেড়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাজধানী বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, পেঁয়াজের দাম প্রতিদিনই কেজিতে দুই-এক টাকা করে বাড়ছে। দেশী পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। আর আমদানি করা পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি কমার কারণে পেয়াঁজের দাম বেড়েছে। সামনে কুরবানির ঈদ। ঈদের আগে পেয়াঁজের দাম আরো বাড়তে পারে বলে ব্যবসায়ীরা আশংকা প্রকাশ করেছে। এদিকে ডিমের দামও বাড়ছে। ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়ে ৩৫-৩৬ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। সেই সাথে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা কেজি। বৃদ্ধি পাওয়া চালের দামও কমেনি।
রাজধানীর সবজির বাজারে দেখা গেছে, পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, চিচিঙ্গা,  বেগুন, কাকরোল,  ঢ়েড়স, মিষ্টি কুমড়া, পেপে, করলাসহ বিভিন্ন সবজিতে বাজারে ভরপুর। তারপরেও গত সপ্তাহের তুলনায় বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বৃষ্টিকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা। গত সপ্তাহে ৮০-৯০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পাকা টমেটোর দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। টমেটোর মতো দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে চিচিঙ্গা, পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, কাকরোল, করলা, বরবটি। এসব সবজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি। আর পেপে বিক্রি হচ্ছে ৩০-২৫ টাকায়। শশা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি।
মাছের বাজারে প্রতিকেজি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১৪০০ টাকায় (আকারভেদে), রুই ২৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল মাছ ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০ টাকা, পাঙাস ১৬০ টাকা, শিং ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা,  কৈ ২২০ টাকা,  কৈ (দেশী) ৮০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা, পাবদা ৭০০ টাকা, মলা ৪৫০ টাকা, ইলিশ (৯০০ গ্রাম) জোড়া ৩০০০ টাকা, ইলিশ ( সোয়া কেজি) প্রতিপিস ২৫০০ টাকায়।
এছাড়া প্রতিকেজি মুরগি (ব্রয়লার) ১৫০-১৬০ টাকা, লেয়ার ২৪০ টাকা, গরুর গোশত ৫২০ টাকা, খাসি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারে মোটা স্বর্ণা চালের দাম কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৪৮ টাকা। পাইজাম ৫০ থেকে ৫২ টাকা, নাজিরশাইল ৬০ থেকে ৬২ টাকা এবং মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৬ টাকা দরে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ