ঢাকা, শনিবার 28 July 2018,১৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাপাহার সীমান্তে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে চোরাকারবারীরা তৎপর

সাপাহার (নওগাঁ) সংবাদদাতা: পবিত্র কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী সাপাহার উপজেলার ঘুমন্ত গরু চোরাকারকারীরা আবারও সরব হয়ে উঠেছে। যে কোন মূল্যে তারা ভারত থেকে গরু আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
সীমান্তের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’একজন চোরাকারবারী জানিয়েছেন বেশ কিছু দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠোর তৎপরতা ও নজরদারীর কারণে সাপাহারে বীট খাটালের মাধ্যমে করিডোর চালু থাকলেও গরু আনা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে কোরবানীকে সামনে রেখে তারা আবারো সরগরম হয়ে উঠেছে। টানা বেশ কিছুদিন তাদের এই চোরাকারবারী ব্যবসা মন্দা যাওয়ায় এখন তারা অতীতের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত।
এরা স্থানীয় বিজিবি, হোমড়া, চোমড়া কাওয়া নেতাদের ম্যানেজ করেই তারা মাঠে নেমেছে বলেও জানা গেছে।
প্রয়োজনীয় সংখ্যক গরু আনতে না পারলেও তারা এখন সীমান্ত এলাকায় প্রতি রাতে মহড়া সহ আনাগোনা করছে। সীমান্ত রক্ষীবাহিনী যতই তৎপর থাকুকনা কেন অধিক লাভের আশায় তারা এখন ভারত থেকে গরু আনবেই মনোবলে বদ্ধপরিকর।
এ বিষয়ে বিটখাটালের মালিক জিল্লুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, বর্তমানে বিট খাটালের অবস্থা ভাল নয় ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনী খুব কঠোর তারা গরু আনতে দিচ্ছেনা। সোমবার রাতে বামনপাড়া ও আদাতলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাত্র ৮টি গরু এসেছে। তবে কোরবানীর দিন যতই ঘনিয়ে আসবে গরু আমদানী একটু হলেও বাড়বে।
আদাতলা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার এর সাথে ফোনে বারবার কথা বলার চেষ্টা করা  হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করার কারণে তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে এবছর দেশেই গরুর দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকাংশে কম। ভারত থেকে গরু আমদানী বাড়লে গরুর মূল্য আরোও কমবে।
সাপাহারে এবছর আমের ফলনও হয়েছে বাম্পার ধনী, গরীব সকলেই আম বিক্রির টাকা হতে কোরবানী দিতে পারবে সে হিসেবে গত বছরের তুলনায় এবারে উপজেলায় কোরবানীর পশুর সংখ্যাও বেড়ে যাবে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ