ঢাকা, শনিবার 28 July 2018,১৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজশাহী সংবাদ

৫ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা!
রাজশাহী অফিস : রাজশাহীতে এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে বিভিন্ন স্থানে পাঁচ শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এমন অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ বিষপান করে, কেউ ট্যাবলেট খায়। আবার কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরে তারা এই আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ওই পরীক্ষার্থীরা রাজশাহী মহানগরীর সাগরপাড়া, কাটাখালী, এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার, বাগমারা উপজেলার লক্ষীপাড়া এলাকার ও নাটোরের বাঁশবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। এদের মধ্যে রামেক হাসপাতালের ৮নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শ্যামার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
গৃহবধূর আত্মহত্যা
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার দুপুরে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে রিনা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করে। রিনা ওই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী।
জানা গেছে, রিনা ও তার স্বামী ইসমাইল হোসেনের সংসারে বিভিন্ন কারণে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলে আসছিলা। এর জেরে রিনা বেগম তার স্বামীর উপরে অভিমান করে বৃহস্পতিবার দুপুরে সবার অজান্তে ঘরের ভেতরে বিষপান করে। পরে বাড়ির লোকজন তাকে দেখতে পেয়ে ঘরের ভেতর থেকে তাকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যুবকের লাশ উদ্ধার
রাজশাহীর পুঠিয়ায় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের নামাজগ্রাম এলাকায় নিজ শয়ন কক্ষ থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় সুজন আলী (১৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নামাজগ্রাম এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে সুজন বেসরকারী একটি স্পট ক্রিম কোম্পানিতে চাকুরি করতো। ঝুলন্ত অবস্থায় সুজনের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এঘটনায় মৃতের বড় ভাই বাবুল আলী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন।
ভুয়া ডিবি পুলিশ আটক
রাজশাহীর চারঘাটে চার ভূয়া ডিবি পুলিশকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার হলিদাগাছি এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে চাঁদা আদায়ের সময় হাতে নাতে আটক করা হয় তাদের। আটককৃতরা হলো, উপজেলার মোক্তারপুর গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে কাউসার হোসেন (২৫), গোশহরপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সুমন আলী (২৭), বাগমারা উপজেলার কলনপাড়া গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে মামুনুর রশীদ (২৩) এবং একই উপজেলার শরীফ উদ্দিন (২৭)। তবে চারঘাট মডেল থানার পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজন চারজনকে আটক পুলিশে দেয়। কিন্তু আটককৃতদের বিরুদ্ধে কারো কোন অভিযোগ না থাকায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ