ঢাকা, মঙ্গলবার 25 September 2018, ১০ আশ্বিন ১৪২৫, ১৪ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

তিন জেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

কুমিল্লায় , সাতক্ষীরায় আর বরগুনার পাথরঘাটায় র্যাব ও পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছেন।

কুমিল্লায় নিহত সহিদুল ইসলাম সবু (৪৪) জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার একবালিয়া গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। সাতক্ষীরায় নিহত রেজাউল (৪২) জেলার শ্যামনগর উপজেলার বাদঘাটা গ্রামের মাজেদ দফাদারের ছেলে।পাথরঘাটায় নিহত ব্যক্তির নাম কাজল। তবে, তাঁর সম্পর্কে এর বেশি কিছু জানা যায়নি।

সবুর নামে একাধিক মাদক মামলা আর রেজাউলের বিরুদ্ধে এক ডজনের বেশি মোটরসাইকেল চুরির মামলা রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য।

র‌্যাব ১১-এর কুমিল্লা কোম্পানি কমান্ডার মেজর আতাউর রহমান বলেন, শনিবার ভোরের দিকে সবুকে আটকের জন্য সদর উপজেলার কাপ্তানবাজার গোমতী বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযানে চালায় র‌্যাব।

“মাদক কারবারিরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। ইট-পাথর নিক্ষেপ করে। র‌্যাব আত্মরক্ষায় ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি চালায়। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ সবুকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

সবু কুমিল্লার মাদক কারবারি হিসেবে তালিকাভুক্ত জানিয়ে তিনি বলেন, “তার বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ থানায় বেশ কয়েকটি মাদক মামলা রয়েছে।”

নিহত সহিদুল ইসলাম সবু (৪৪) জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার একবালিয়া গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।

সাতক্ষীরার রেজাউল নিহত হয়েছেন গ্রেপ্তারের পর

শ্যামনগর থানার ওসি মো. ইলিয়াচ হোসেন বলেন, মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের হোতা রেজাউলকে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী ঢাকার মিরপুর থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

“শুক্রবার মধ্যরাতে তাকে নিয়ে শ্যামনগরের নূরনগর এলাকায় মোটরসাইকেল উদ্ধারে যায় পুলিশ। এ সময় তার বাহিনী পুলিশকে লক্ষ করে গুলি করে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি করে। দুই পক্ষের গোলাগুলিতে রেজাউল নিহত হন।”

নিহত রেজাউল (৪২) শ্যামনগর উপজেলার বাদঘাটা গ্রামের মাজেদ দফাদারের ছেলে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও একটি গুলি উদ্ধার করেছে বলে জানান ওসি ইলিয়াচ।

জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান বলেন, “রেজাউলের বিরুদ্ধে এক ডজনের বেশি মোটরসাইকেল চুরির মামলা রয়েছে। এছাড়া একটি অপহরণ মামলার প্রধান আসামি। গত তিন মাস ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।”

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন এক জলদস্যু নিহত হয়েছেন। ভোরে পাথরঘাটার সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মাঝেরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম কাজল। তবে, তাঁর সম্পর্কে এর বেশি কিছু জানা যায়নি। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে।

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বলেশ্বর নদীর সুন্দরবন সংলগ্ন মাঝেরচর এলাকায় জলদস্যুদের অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব-৮। এ সময় র‍্যাবকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে জলদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালান র‍্যাব সদস্যরাও। দুই পক্ষের গোলাগুলির একপর্যায়ে জলদস্যুরা পিছু হটে। ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে জলদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য কাজলের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করে র‍্যাব। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খবীর বলেন, জলদস্যু কাজলের মৃতদেহ পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর করবে র‍্যাব।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ