ঢাকা, রোববার 29 July 2018, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৫ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শতকের দীর্ঘস্থায়ী ‘ব্লাড মুনে’ মুগ্ধতা

২৮ জুলাই, বিবিসি : আকাশপানে তাকিয়ে একুশ শতকের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ‘ব্লাড মুন’ উপভোগ করেছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। মেঘের কারণে কিছু কিছু এলাকায় না দেখা গেলেও ১০৩ মিনিট স্থায়ী এ পূর্ণগ্রাস মুগ্ধতা ছড়িয়েছে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চলে।   যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিম ইউরোপের অনেক এলাকায় গ্রহণ শুরুর সময় থেকেই পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহটি গাঢ় লাল ছায়ায় ঢাকা পড়তে থাকে। কোথাও কোথাও এটি ধারণ করে রক্তাভ বাদামী বর্ণ। পূর্ব ইউরোপ, মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মেঘমুক্ত এলাকাগুলো থেকে শতকের এ দীর্ঘতম ‘ব্লাড মুন’ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট দেখা গেছে। এর আগে ২০০০ সালের ১৬ জুলাই ১০৬ মিনিট স্থায়ী চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছিল। ২০২৮ সালে ৩১ ডিসেম্বর পরবর্তী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের দেখা মিললেও সেটা এবারের মত দীর্ঘ হবে না।এবারের চেয়ে দীর্ঘক্ষণ গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২১২৩ সাল পর্যন্ত। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৫ বছর পর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে আসছে মঙ্গল গ্রহও। আকাশ পরিষ্কার থাকলে সামনের দিনগুলোতে ‘উজ্জ্বল লাল এ তারকাকে’ আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে বলেও জানিয়েছেন তারা। পূর্ণগ্রাস গ্রহণ যতখানি দীর্ঘ হতে পারে এবারেরটি আসলে সেরকমই। মঙ্গলের কাছাকাছি অবস্থানে আসার সময়ই কেবল এটি ঘটল তা নয়, ঘটল গ্রহদের মিছিলের সময়েই,” বলেছেন ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিপদার্থবিদ অধ্যাপক টিম ও’ব্রায়েন।মঙ্গলের পাশাপাশি এদিন অনেক এলাকা থেকে পৃথিবীর অন্যান্য প্রতিবেশী শুক্র, বৃহস্পতি ও শনিকেও ভালোভাবে দেখার সুযোগ মিলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ