ঢাকা, রোববার 29 July 2018, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৫ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিজেপিকে হটাতে একজোট হতে হবে

২৮ জুলাই, পার্সটুডে : ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘গোটা দেশে সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এজন্য বিজেপিকে আটকাতে আমাদের একজোট হতে হবে।’

কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারকে হটানোর জন্য মজাজোট গড়ার লক্ষ্যে গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়্যের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করার পরে তিনি ওই মন্তব্য করেন। ওমর আবদুল্লাহ বলেন, কাশ্মীরের পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাশ্মীরের পরিস্থিতি এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেখানে পর্যটকদের যাওয়া নিয়ে ওমর আব্দুল্লাহর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

কংগ্রেসকে প্রস্তাবিত মহাজোটে নেয়ার প্রশ্নে ওমর আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিজেপি বিরোধী সব দলই মহাজোটে স্বাগত। সবাই মিলে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। প্রায় সব বিরোধী ও আঞ্চলিক দল এখন বিজেপির বিরুদ্ধে। বাধ্যবাধকতার জন্য কিছু দল বিরোধিতা করতে পারছে না।’

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাজিত করার পরেই প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা ঠিক করা হবে বলেও ওমর আব্দুল্লাহ জানান। তিনি বলেন, ‘এখনই প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে বেশি হইচই করলে তাদের প্রধান উদ্দেশ্যেরই ক্ষতি হবে।’

ওমর আবদুল্লাহ অবশ্য তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, ২০১৯ সালে বিজেপিকে পরাজিত করতে পারলে মমতা দিদিকে দিল্লি নিয়ে যাব। উনি পশ্চিমবঙ্গে যেমন ভালো কাজ করছেন, তেমনি ওখানে গিয়েও করবেন।’

বিজেপি বিরোধী প্রস্তাবিত জোটে এরআগে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং পরবর্তীতে উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিএসপি নেত্রী মায়াবতী এবং পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে গণমাধ্যমে ছড়িয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আমরা একসঙ্গে জোটবদ্ধ লড়াই করতে চাই। কেন্দ্রীয় সরকার সব সময় হুমকি দিচ্ছে। এটা আমরা সহ্য করব না। দেশের মানুষের জন্য বিজেপিকে আটকাতে লড়াই চালিয়ে যাব।’

মমতা এরইমধ্যে বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে কয়েক দফায় দিল্লি সফর করে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ