ঢাকা, সোমবার 30 July 2018, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

টেবিল ঘড়ির প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট ও কর্মী সমর্থকের পুলিশী হয়রানির অভিযোগ

সিলেট ব্যুরো : নির্বাচনের প্রাক্কালে আসন্ন সিলেট সিটি নির্বাচনে নাগরিক ফোরাম মনোনীত মেয়র প্রার্থী এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের গ্রামের বাড়ীতে, তাঁর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হাফিজ আব্দুল হাই হারুনের বাড়ীতে এবং টেবিল ঘড়ির প্রচারণায় জড়িতদের বাসা-বাড়ীতে পুলিশী হয়রানির অভিযোগ উঠছে। গতকাল রোববার মেয়র প্রার্থী এডভোকেট জুবায়ের নিজে উপস্থিত হয়ে নির্বাচন কমিশনের সিলেটের আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- মেয়র প্রার্থী এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান খালেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা জহুরুল হক, এনডিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান খালেদ, বিজেপির জেলা সদস্য সচিব ডা: একেএম নুরুল আম্বিয়া রিপন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা উত্তরের আমীর হাফিজ আনোয়ার হোসাইন খান, সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজ নজমুল ইসলাম, এডভোকেট আব্দুর রব প্রমুখ।
অভিযোগে এডভোকেট জুবায়ের বলেন- আমি সিসিক নির্বাচনের একজন মেয়র প্রার্থী হিসেবে সবসময় মাঠে কাজ করে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ২৬-০৭-১৮ইং তারিখে আমার গ্রামের বাড়ী মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া গ্রামে সাদা এবং পোষাকদারী পুলিশ তল্লাশীর নামে হয়রানী চালিয়েছে। এসময় বাড়ীর লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। শুধু তাই নয় আমার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হাফিজ আব্দুল হাই হারুনের গ্রামের বালাগঞ্জ উপজেলার গহরপুর গ্রামেও পুলিশ তল্লাশীর নামে হয়রানী চালিয়েছে। এছাড়া আমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এডভোকেট আব্দুর রবের গ্রামের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার বাড়িতেও পুলিশ অনুরুপ তল্লাশীর নামে হয়রানী চালিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর এমন আচরণে শুধু শহর নয় গ্রামেও আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
তারা আরো বলেন- একাধিকবার এসব বিষয়ে একাধিক অভিযোগ দাখিল করা সত্ত্বেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আমরা বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। নির্বাচন কমিশণ ঘোষিত নির্দিষ্ট সময়ে প্রচারণা চালু হওয়ার পর থেকে আমার কর্মী, সমর্থক ও এজেন্টদের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে হয়রানী করা হচ্ছে। এধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শনের ফলে আমাদের কর্মী সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শংকা তৈরী হয়েছে। এভাবে পুলিশী হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন দ্রুত বন্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা

রিটার্নিং কর্মকর্তাকে আরিফের প্রশ্ন
শেষ মুহূর্তে প্রিসাইডিং
কর্মকর্তা পরিবর্তন কেনো?
সিলেট ব্যুরো : নির্বাচনের শেষ সময়ে এসে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পরিবর্তন কেন এমন প্রশ্ন করেছেন সিসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। গতকাল রোববার দুপুরে দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ নিয়ে সিসিক নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান আরিফুল হক চৌধুরী।
এ সময় শেষবারের মতো অভিযোগ করছি উল্লেখ করে আরিফ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলেন, এর আগেও অভিযোগ করেছি, লাভ হয়নি। এরপর সুষ্ঠু নির্বাচনে আপনি আমাকে কীভাবে আশ্বস্ত করবেন? নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পরিবর্তন করছেন। এটা কিসের আলামত? নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশ থাকার পরও তাঁর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাককে পুলিশ গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ করেন আরিফ। তিনি বলেন, আমাদের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে সুসম্পর্ক। কিন্তু পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে এত বাড়াবাড়ি করছে কেনো? এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান এসব অভিযোগের বিষয়ে মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে বলেন, তিনি এসব বিষয় খতিয়ে দেখবেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ