ঢাকা, সোমবার 30 July 2018, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কেশবপুরে নূড়িতোলা-গড়ভাঙ্গা রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি

কেশবপুর (যশোর) : পাঁজিয়া সড়কের গড়ভাঙ্গা ভায়া নূড়িতলা সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে

মোল্যা আব্দুস সাত্তার, কেশবপুর (যশোর) : কেশবপুর উপজেলার নূড়িতোলা বাজার থেকে গড়ভাঙ্গা বাজার পর্যন্ত মাত্র ৩ কিলোমিটার মাটির রাস্তার কারণে ১৫ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার লোকের চলাচলে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতি বর্ষা মওসুমে স্কুল, কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদের হাটু পর্যন্ত কাদা ডিঙিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। রাস্তাটি পাকাকরণের দাবিতে এলাকাবাসি একাধিক দপ্তরে আবেদন করলেও তা বরাবরই থেকে যায় উপেক্ষিত।   

এলাকাবাসি জানান, কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কের নূড়িতলা বাজার থেকে গড়ভাঙ্গা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার একটি মাটির রাস্তারয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে বেলোকাটি, সাগরদত্তকাটি, নেপাকাটি, সাতাইশকাটি,  রামভদ্রপুর, পাঁজিয়া, গড়ভাঙ্গা, সাগরদত্তকাটি, ইমাননগর ও মনিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নি, দূর্বাডাঙ্গাসহ কমপক্ষে ১৫ গ্রামের ৫০ হাজার লোক চলাচল করে থাকে। জনগণের ব্যাপক চলাচলের কারণে প্রতি বর্ষা মওসুমে রাস্তাটিতে হাটু পর্যন্ত কাদা হয়ে থাকে। এছাড়া ওই গ্রামগুলোর ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন গড়ভাঙ্গা বাজারের গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক ও বালিকা বিদ্যালয়, ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসাসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাঁজিয়া ডিগ্রী কলেজে আসা যাওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগ পেহাতে হয়। পথচারী ও হাটুরেরা বাজার সওদা ও পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের কাজ সারতেও রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকেন। ফলে এলাকার জনগণকে বাধ্য হয়ে গড়ভাঙ্গা, পাঁজিয়া বাজারে ঢুকতে ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ওই বাজার দুটিতে বিকিকিনি করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ব্যবসায়ীদেরও ঝামেলা পোহাতে হয়। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটিতে হাটু পর্যন্ত কাদার সৃষ্টি হয়। 

নূড়িতলা বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসি দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে আসলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। বেলকাটি গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, রাস্তটি পাকাকরণ খুবই প্রয়োজন। পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে তার এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই রাস্তাটিও পাকাকরণ করা হবে। উপজেলা প্রকৌশলী মুনছুর আলী বলেন, এ উপজেলায় যে সমস্ত রাস্তা এখনও কাঁচা রয়েছে তাঁর তালিকা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ওই রাস্তাটিও তার ভেতর রয়েছে। বরাদ্দ মিললে পাকাকরণ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ